নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোরের মণিরামপুরে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রয়োগে গ্রীষ্মকালীন অসময়ে তরমুজ চাষে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন স্থানীয় কৃষক খলিলুর রহমান।
এ সাফল্যের পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছেন উপজেলা কৃষি দপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিএম হাফিজুর রহমান।
তার সার্বিক তত্ত্বাবধান, পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় প্রথমবারের মতো মণিরামপুরে অসময়ে তরমুজ চাষ সম্ভব হয়েছে, যা এখন এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।বিএম হাফিজুর রহমান জানান,”এর আগে মণিরামপুরে গ্রীষ্মকালীন তরমুজের চাষ হয়নি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তারের নির্দেশনায় আমি চাষী খলিলুর রহমানকে আধুনিক প্রযুক্তিতে চাষের পরামর্শ দিই। এখন তার ক্ষেতের ফলন দেখে আশপাশের কৃষকরাও আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।”তিনি আরও বলেন,“ইতোমধ্যে অনেক কৃষক আমার সাথে যোগাযোগ করেছেন। তারা জানতে চাচ্ছেন, কীভাবে এই পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করা যায়।
আশা করছি আগামী মৌসুমে আরও বেশি জমিতে এই চাষ বিস্তৃত হবে।”চাষী খলিলুর রহমান জানান,৫০ শতক জমিতে তিনি প্রায় ৩৫ হাজার টাকা ব্যয়ে তরমুজ চাষ করেছেন। ইতোমধ্যে ক্ষেতের তরমুজ বাজারজাতের প্রস্তুতি চলছে। তিনি আশা করছেন, প্রায় তিন লক্ষ টাকার তরমুজ বিক্রি করতে পারবেন।
এ বিষয়ে উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা শারমিন শাহনাজ বলেন,“উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিএম হাফিজুর রহমানের নিবিড় তত্ত্বাবধান ও পরিশ্রমে এই সাফল্য এসেছে। এটি অন্য কৃষকদেরও অনুপ্রাণিত করবে নতুন কৃষি উদ্ভাবনে।
”মনিরামপুরের কৃষিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে বিএম হাফিজুর রহমান দেখিয়ে দিলেন—সঠিক পরামর্শ, আধুনিক প্রযুক্তি ও চাষীর পরিশ্রম একত্রে হলে অসময়েও ফলানো যায় সাফল্যের ফসল।

