শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

মনিরামপুরে পেঁয়াজের চারার হাটে জমে উঠেছে কৃষকের কেনাকাটা

আরো খবর

শাহাজান শাকিল, মনিরামপুর:যশোরের মনিরামপুর উপজেলা শহীদ মশিউর রহমান অডিটোরিয়ামের সামনে বসেছে পেঁয়াজের চারা বিক্রির হাট। প্রতি সপ্তাহে দুই দিন—শনিবার ও মঙ্গলবার—এই হাট বসে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে পেঁয়াজের চারা কেনাবেচা।

 

চলতি মৌসুমে এই হাটকে কেন্দ্র করে এলাকার কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।২০ ডিসেম্বর শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাটজুড়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার সরব উপস্থিতিতে মুখর পরিবেশ। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পাশাপাশি আশপাশের উপজেলার কৃষকরাও এখানে এসে প্রয়োজন অনুযায়ী পেঁয়াজের চারা সংগ্রহ করছেন। কেউ মাথায় ঝুড়ি, কেউ আবার বস্তায় করে চারা নিয়ে জমির দিকে ফিরছেন।

হাটে পেঁয়াজের চারা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চারা ও জাতভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজের চারার দাম ২৫, ৩০, ৩৫ ও ৪০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। বিক্রেতারা জানান, উন্নত জাতের ও রোগমুক্ত চারা হওয়ায় দাম কিছুটা বেশি হলেও কৃষকদের চাহিদা তুলনামূলক ভালো।

 

বিক্রেতারা আরও জানান, এই হাটে দেশি ও উন্নত জাতের বিভিন্ন ধরনের পেঁয়াজের চারা পাওয়া যাচ্ছে। কৃষকরা নিজেদের জমির মাটি, আবহাওয়া ও চাষাবাদের উপযোগিতা বিবেচনা করে চারা নির্বাচন করছেন। এতে জমিতে রোপণের পর ভালো ফলনের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।
হাটে আসা কয়েকজন কৃষক জানান, এক জায়গায় সহজেই প্রয়োজনীয় পরিমাণ মানসম্মত চারা পাওয়া যাওয়ায় তাদের সময় ও খরচ দুটোই সাশ্রয় হচ্ছে। আগে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে চারা সংগ্রহ করতে হতো, এখন এই হাট কৃষকদের জন্য বড় সুবিধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, পেঁয়াজের চারা বিক্রির এই হাটটি কৃষিনির্ভর মনিরামপুর উপজেলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সময়মতো মানসম্মত চারা পাওয়ায় চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ চাষ বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কৃষি অফিস থেকে জানা যায়,মনিরামপুরে চলতি মৌসুমে পেয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ২৮০ হেক্টর

 

 

এ বিষয়ে মনিরামপুর পৌর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মনিরামপুরের এই হাটে পেঁয়াজের চারা আসে। এখানে বিভিন্ন জাতের চারা পাওয়া যাচ্ছে। কৃষকরা দেখে-বুঝে উপযুক্ত চারা কিনতে পারলে পেঁয়াজ চাষে লাভবান হবেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ