শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

মনিরামপুরে মিন্টু হত্যা মামলায়  বিএনপি নেতা সাব্বির গ্রেপ্তার

আরো খবর

মনিরামপুর প্রতিনিধি:যশোরের মনিরামপুরে পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা না পেয়ে ভ্যানচালক মিন্টু হোসেনকে (৪০) কুপিয়ে হত্যার মামলার প্রধান আসামি পৌর বিএনপির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক সাব্বির রহমানকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার হরিদাসকাটি ইউনিয়ন থেকে তাকে আটক করা হয়।

 

স্থানীয় দের থেকে জানা যায়, মনিরামপুর সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের উত্তর গেট সংলগ্ন এলাকায় নিহত মিন্টুর ভাই সেন্টুর একটি চায়ের দোকান রয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা সাব্বির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সেন্টুর কাছে পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা না দিলে দোকান উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন তিনি।

 

গত ২৮ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় চাঁদা দাবির জেরে সাব্বির ও তার সহযোগীরা সেন্টু, তার বড় ভাই মিন্টু ও মেজো ভাই পিকুলের ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তারা গুরুতর আহত হন। এ সময় মিন্টুর বৃদ্ধ বাবা-মাকেও মারধর করা হয়।

ঘটনার পরদিন নিহতের মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে মনিরামপুর থানায় চারজনের নাম উল্লেখ ও দুজন অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে আহত মিন্টু ২৯ আগস্ট (শুক্রবার) রাতে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

৩০ আগস্ট মিন্টুর লাশ গ্রামে পৌঁছালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা মানববন্ধন করে দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।

এ ঘটনার পর সাব্বির হোসেনকে বিএনপি থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়।

 

 

পুলিশ প্রথমে ছোট সাব্বির ও ফারুককে গ্রেপ্তার করে। তবে মামলার প্রধান আসামি বড় সাব্বির পলাতক ছিলেন। অবশেষে মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ৭ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে হরিদাসকাটি ইউনিয়ন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অরূপ ঘোষ জানান, “মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে সাব্বির রহমানকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। এর আগে ছোট সাব্বির ও ফারুককে আটক করা হয়েছিল। মামলার অন্যান্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

আরো পড়ুন

সর্বশেষ