মহেশপুর প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টুর কাছ থেকে বড় ধরনের সুবিধা না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে একের পর এক অনাস্থা জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করে আসছিলেন ৯ জন ইউপি সদস্য।
গতকাল বুধবার বিকালে উপজেলা পরিষদে বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টুর বিরুদ্ধে ১২ জন ইউপি সদস্যরা অনাস্থা ভোটে অংশো গ্রহন করেন।
১২জন ইউপি সদস্যের মধ্যে ৯ জন ইউপি সদস্য চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টুর বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট দেন। বাকি ৩জন ইউপি সদস্যরা চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টুর পক্ষে ভোট প্রদান করেন।
উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টুর বিরুদ্ধে আনা বিভিন্ন অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা বাহাউল ইসলাম এ ভোট গ্রহন করেন।
বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য শাহাজান আলী,নাসির উদ্দীন জানান, বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টু চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত সদস্যদেরকে বাদ দিয়ে তিনি তার খেয়াল খুশি তম কাজ করে আসছিলেন। এমনকি আমাদের নামে প্রকল্প দিয়ে চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টু জাল সই দিয়ে টাকা উত্তোলন করে নিয়েছেন।
ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম, পারভিনা খাতুন ও আতিয়ার রহমান জানান, বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টুর কাছ থেকে আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন ইউপি সদস্য বড় কাজ নেওয়ার চেষ্টা করে আসছিলো। কিন্তু চেয়ারম্যান জিন্টু তাদের কাজ না দেওয়ার কারনেই আজ চেয়ারম্যান জিন্টুর বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে একের পর এর মিথ্যা অভিযোগ করে আসছেন।
বুধবার দুপুরে চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টুর বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট হয়েছে। তাতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৯টি ও পক্ষে ৩টি ভোট পরেছেন।
চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টু জানান, আমার কাছ থেকে সুবিধা না পেয়ে পরিষদের কয়েকজন ইউপি সদস্য আমার বিরুদ্ধে অনাস্থা আনেন। সে কারনেই বুধবার দুপুরে অনাস্থা ভোট হয়েছে।
উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টুর বিরুদ্ধে আনা বিভিন্ন অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা বাহাউল ইসলাম জানান, অনাস্থা ভোট হয়েছে। ভোটে চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টুর বিরুদ্ধে ৯টি ও পক্ষে ৩ ভোট পরেছে। এ বিষয়ে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ভোটের ফলাফল ও তার বিরুদ্ধে অনিত অভিযোগের তদন্ত রিপোটটি পাঠিয়ে দিয়েছি।

