শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

মামলার বিষয়ে যা জানালেন স্ক্যান হসপিটাল কর্তৃপক্ষ

আরো খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোর শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের স্ক্যান হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তার সাথে ভিন্নমত পোষণ করেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।তাদের দাবি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিধি বিধান মেনে তারা সুনামের সাথে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছেন।

 

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনা এবং ভৈরব নদে বর্জ্য ও পয়ঃবর্জ্য নিষ্কাশনের অভিযোগ প্রসঙ্গে হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ছাড়পত্র প্রাপ্তির জন্য ২০১৮ সালে আবেদন জমা দেয়া আছে। ভৈরব নদে কোন বর্জ্য ফেলা হয় না।

পৌর সভার পরামর্শে প্রিজমে বর্জ্য দেয়া হয়। যা অন্যান্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও দেয়। তিনি বলেন, তাদের হসপিটালে হাইপো ক্লোরাইড ওয়েস্ট ট্রিটমেন্ট প্লান(ইটিপি) এর পরিপুর্ণ ব্যবস্থাপনা রয়েছে। যা সরেজমিনে দেখা যায়।

এছাড়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ল্যাবের রক্ত, ইউরিন, স্টুল ও সিরাম ইত্যাদি পানি ও ১% সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইডের সাথে মিশ্রণ না করে সরাসরি পৌরসভার ড্রেনের মাধ্যমে ভৈরব নদে নিক্ষিপ্ত হচ্ছে বলে যে সব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য নয় বলে দাবি করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

তিনি বলেন, গত ২৪ নভেম্বর পরিবেশ অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা তাদের হসপিটাল পরিদর্শন করেন এবং ৮ ডিসেম্বর এক পত্রে পরিবেশ বিষয়ে কিছু অসঙ্গতি উল্লেখ করে পত্র দেন। পত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশনা যথাযতভাবে পালনের জন্য তিন দিন সময় বেধে দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা যথা নিয়মে প্রতিপালন করা হয়। যা অফিসে গিয়ে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।একইসাথে বর্ণিত বিষয়ে আর কিছু করনীয় আছে কি না তা জানার জন্য পুণরায় পরিবেশ অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করা হয়।

কিন্ত কর্তৃপক্ষ পুণরায় আর তদন্ত আসেনি। বুধবার জানতে পারলাম মামলা হয়েছে। তিনি বলেন প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সুনামের সাথে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এবং হসপিটালে আগতদের যতœসহকারে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে।

 

আরো পড়ুন

সর্বশেষ