শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

  যবিপ্রবিতে জালিয়াতি করে অধ্যাপক হওয়ার অপচেষ্টা নস্যাৎ

আরো খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) অভিজ্ঞতা জালিয়াতির মাধ্যমে অধ্যাপক পদে নিয়োগের অপচেষ্টা রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপে নস্যাৎ হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক ড.মো.মেহেদী হাসান, যবিপ্রবির অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।

 

অভিযোগ রয়েছে,অধ্যাপক পদে আবেদনের সময় তাঁর মোট শিক্ষকতা অভিজ্ঞতা ছিল মাত্র ৭ বছর ২৮ দিন, যেখানে ন্যূনতম ১২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক। তিনি পূর্বে বাংলাদেশ বেতারে কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করলেও, সেটি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষকতা হিসেবে গণ্য নয়। তবু তিনি সেই অভিজ্ঞতা যোগ করে যোগ্যতা অর্জনের চেষ্টা করেন।

 

তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড.আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী বোর্ডে তাঁকে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে অধ্যাপক পদে সুপারিশ করা হয়। বিষয়টি প্রকাশ পেলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং রিজেন্ট বোর্ডে অনুমোদন স্থগিত থাকে।

 

পরবর্তীতে বিষয়টি রাষ্ট্রপতির নিকট পাঠানো হলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও মহামান্য রাষ্ট্রপতি জালিয়াতির প্রমাণ পেয়ে ড.মেহেদী হাসানের নিয়োগ সুপারিশ বাতিল করেন। এরপর যবিপ্রবি প্রশাসন গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে পদটি শূন্য ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন কর্মকর্তারা জানান, এই ধরনের জালিয়াতির জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পদাবনতি বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।

 

শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত শিক্ষকের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। তাঁরা বলেন, “অভিজ্ঞতা জালিয়াতি করে অধ্যাপক হওয়ার চেষ্টা একটি গুরুতর নৈতিক অপরাধ এমন ব্যক্তি শিক্ষকতার মর্যাদা রাখেন না।”

আরো পড়ুন

সর্বশেষ