শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

যশোরে শার্শায় মাদ্রাসা ছাত্র মাহিন পুলিশ এখন ও কোন কুলকিনারী পাইনি পরিবার কোন অভিযোগ দেয়নি

আরো খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোরর শার্শার নারায়নপুর আশরাফুল কওমী মাদ্রাসার ছাত্র মাহিন (১৩) বিষাক্ত বিস্কুট খেয়ে মুত্যুর ঘটনায় থানা পুলিশ এখনো কোন কুলকিনারা খুঁজে পাইনি মরা দেহের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হলেও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট না আশায় পুলিশ এখনো কোন ব্যবস্থা নিতে পারেনি। আর এই ঘটনায় নিহতের পরিবার থেকে কোন ধরনের কোন অভিযোগ নেই, এমনকি ঘটনায় কারোর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগও শার্শা থানায় দায়ের করেনি। কয়েকজন মাদ্রাসার ছাত্র হাসপাতাল সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়ে তারা এখন নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করছে। অসুস্থ ছাত্রদের মধ্যে একমাত্র মামুনুর রশিদ (১০) নামে এক ছাত্রকে গুরুতর আহত অবস্থায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।
গত২৯ জুলাই বিকেলে যশোর শার্শার নারায়নপুর আশরাফুল মাদারীস কওমী মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
নারায়নপুর আশরাফুল মাদারীস কওমী মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মাওলানা আনারুল ইসলাম বলেন,ছাত্ররা ঘটনার দিন দুপুরের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে ছিল। তারপর বিকেলে এক ছাত্রের বাড়ী থেকে তার এক দুলাভাই রাসেল নামে ব্যক্তির দেওয়া বিস্কুট খেয়েদেওয়া বিস্কুট খাওয়ার পরে ছাত্ররা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। নাভারন বাজারের ফুটপথ থেকে ৫শ’ গ্রাম ওজনের দুই প্যাকেট বিস্কুট কিনে দিয়েছিল। রাসেল জানান, আমার দেয়া বিস্কুট খেয়ে নাকি খেয়ে আমার শালাসহ সাতজন বাচ্ছা অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। তার মধ্যে একজন মারা গেছে। যশোর শার্শার হাসপাতালে এর জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার সিদ্দিকুর রহমান জানান, মাদ্রাসার সাত শিক্ষার্থীকে সেখানে ভর্তি করা হয় অবস্থা বেগতিক দেখে অন্য একজনকে যশোর জেনারেল হাসপাতাল পাঠানো হয়। বিস্কুট খেয়ে নিহত মাহিন যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাসখোলা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে। ওই এলাকায় মাদ্রাসার ছাত্র মাহিন মৃত্যুর ঘটনায় ১০নং শার্শা ইউনিয়নের ৭নং নারায়নপুর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল আলীম বলেন ,এ ঘটনাটা সাধারণত খাদ্যই বিষক্রিয়ায় হতে পারে? কেউ কোনদিন খাবারের সাথে বিষ দিয়ে বাচ্চাদের প্রতি এরকম ঘটনা ঘটাবে না।এর আগেও ওই ছাত্রের তাদের দুলাভাই খাবার সহ মিষ্টি কিনে দিতেন বলে তিনি জানান ইউপি সদস্য। নিহত মাহিমের বাবা, জাকির হোসেনের বক্তব্য অনুযায়ী মেম্বার আরো জানান,তারা এ ধরনের কোনো অভিযোগ করতেও রাজি হননি কোথাও। এলাকার কিছু কুচক্রী মহল মৃত্যুর বিষয়টা কি ঘোলাটে করার জন্য এমন প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে
শার্শা থানার ওসি মামুন খান বলেন ,ময়নাতদন্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কোন মামলা আমরা নিতে পারছি না কারণ নিহতের পরিবাররাই এই মৃত্যুকে সাধারন মৃত্যু হিসেবে ধরে নিয়েছেন ।তাদের সন্তানকে কেউ মেরে ফেলাবে বা হত্যা করবে এমনটি তাদের কাছে মনে হয় না। তিনি বলেন, ময়না তদন্ত রিপোর্ট আসার পরে বোঝা যাবে তার মৃত্যুর রহস্য কি তখনই আমরা এর তদন্ত কাজ আরো এগিয়ে নিতে পারব। জানান বিষয়টা নিয়ে থানার এসআই মাহফুজুর রহমান তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রাথমিক পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে থানায় একটি সাধারণ জিডি করা হয়েছে।#

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ