একাত্তর ডেস্ক: যশোরসহ বিভিন্ন স্থানে বিন¤্র শ্রদ্ধায় অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসে উল্লেখ্যযোগ্য কর্মসূচি ছিল শহিদ বেদিতে পুস্পমাল্য অর্পণ, জাতীয় পতাকা উত্তোল ও অর্ধনমিত, আলোচনা সভা,আলপনা আকাঁ,চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা।
যশোর: যশোরে যথাযথ মর্যদার মধ্যদিয়ে ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটিতে রাত ১২ টা ১ মিনিটে সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এম এম) মহাবিদ্যালয়ের শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর্ব শুরু হয়। বিদ্যুৎ জ¦ালানি খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এমপি প্রথমে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এরপর জেলা প্রশাসক আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল, এম এম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এস এম শফিকুল ইসলাম, বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপিকা নার্গিস বেগম, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে সকাল পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গণের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সকাল সাড়ে ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভাষা দিবসের তাৎপর্য তুলে আলোচনা সভা, রচনা, চিত্রাংকন, কবিতা ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সমগ্র আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক আশেক হাসানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন। প্রবন্ধ পাঠ করেন যশোর সরকারি মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক মোফাজ্জেল হোসেন।
এছাড়াও যশোরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভাষা শহিদদের স্মরণে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
যশোর সরকারি মহিলা কলেজে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ প্রফেসর নাজমুল হাসান ফারুক। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আলউদ্দীন ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের আহবায়ক সহযোগি অধ্যাপক মোনতাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সহযোগি অধ্যাপক মোফাজ্জেল হোসেন ও হুমায়ুন কবির।
যশোর শিক্ষাবোর্ড স্কুল অন্ড কলেজে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ প্রফেসর সেখ আব্দুল হান্নান। অনুষ্ঠানের আহবায়ক নাছিরা পারভীনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রভাষক সাইফ উদ্দিন।
যশোর জিলা স্কুলে আলোচনা সভায় প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে বক্তব্য সিনিয়র শিক্ষক নজরুল ইসলাম খান, সহকারি শিক্ষক লক্ষণ কুমার বিশ^াস ও অভিভাবক আশরাফুল আলম।
যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সহকারি প্রধান শিক্ষক সোহেল উদ্দিন, খালিদ হোসেন, সিনিয়র শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, শিরিনা খাতুন ও রাজু বিশ^াস।
যশোর পুলিশ লাইন হাইস্কুলে শহিদ দিবসে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে অভিভাবকদের সাথে মতবিনিময় করেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। শিক্ষার উপযুক্ত অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সবাইকে একযোগে ভূমিকা পালনের আহবান জানান তিনি।
যবিপ্রবি: বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে একুশের প্রথম প্রহরে পুস্পস্তবক অর্পণ, সম্মিলিত কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাতসহ নানা কর্মসূচিতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ পালন করা হয়েছে।
যবিপ্রবিতে অমর একুশের মূল কর্মসূচি শুরু হয় শুক্রবার প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাষা শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে। এরপর সম্মিলিত কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। একুশের প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ। পরে একে একে যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন, ডিনগণ, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন বিভাগ, দপ্তর, আবাসিক হল, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠন শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
শনিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে উপাচার্যের নেতৃত্বে যবিপ্রবি ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ করা হয়। পরে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সকাল ৭টায় যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদের নেতৃত্বে প্রভাতফেরি বের করা হয়। প্রভাতফেরিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে শুরু হয়ে প্রধান সড়ক হয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। এতে যবিপ্রবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছাড়াও যবিপ্রবি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। পরে তাঁরা ভাষা শহিদদের স্মরণে যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
একইসাথে যবিপ্রবি ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। শহীদদের স্মরণে নিরবতা পালন, সম্মিলিত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদ ছাত্র হলের হল প্রভোস্ট, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ।
বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মো: আকরামুল ইসলাম।
কেশবপুর প্রতিনিধি:
যশোরের কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা, কবিতা আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন এর সভাপতিত্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন যশোর-৬ কেশবপুর আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ মোক্তার আলী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সুকদেব রায়, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার সুদীপ বিশ্বাস, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ বিশ্বাস, ছাত্র শিবিরের সাবেক খুলনা মহানগরীর সভাপতি, সাবেক কেন্দ্রীয় ক্রিড়া সম্পাদক সাইদুর রহমান সাঈদ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর পেশাজীবি সংগঠনের সভাপতি এ্যাডভোকেট ওয়াজিয়ার রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কেশবপুর উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী সম্রাট হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা তৌহিদুজ্জামান।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) বিমল কুমার কুন্ডু।
আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের একুশের কবিতা আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে উপজেলা শিশু একাডেমিসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সমন্নয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের নানা কর্মসূচীর মধ্যে একুশের প্রথম প্রহরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাবলিক ময়দানে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সকাল ৭:৩০ মিনিটে প্রভাতফেরী। সকাল ৯টায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের চিত্রাঙ্কন এবং ১০টায় কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমীর প্রভাষক জাকির হোসেন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাষ্টার রফিকুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সেখ ফিরোজ আহমেদ, উপজেলা সমবায় অফিসার নাসিমা খাতুন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুপালী রানী, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আনজু মনোয়ারা, ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি শামীম আখতার মুকুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনামুল হাসান নাঈম, সাংবাদিক পরেশ দেবনাথসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।
চৌগাছা যশোর)প্রতিনিধি:
যশোরের চৌগাছায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে সরকারি শাহাদাৎ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর আহমদ। পরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, থানা অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম, পৌরসভা কর্তৃপক্ষ, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম, সাধারণ সম্পাদক ও হাকিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুল হাসান, বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদল, কৃষকদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন পর্যায়ক্রমে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর আহমদের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক রেশমা খাতুন, থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা গোলাম মোরশেদ, সেক্রেটারি নুরুজ্জামান, সহ-সেক্রেটারি কামাল আহমেদ, পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির আব্দুল খালেক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলী। এ সময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
ঝিকরগাছা : যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় মহান একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি উপজেলা প্রশাসন, ঝিকরগাছা সরকারি এম এল মডেল হাইস্কুলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রহরে ঝিকরগাছা সরকারি এম এল মডেল হাইস্কুলের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তাবক অর্পনের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। উক্ত আয়োজনে বক্তরা বলেন, ২১ শে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনের এক আবেগঘন দিন। এই দিনটি শুধু ক্যালেন্ডারের একটি তারিখ নয়, বরং ত্যাগ, সংগ্রাম এবং আত্মমর্যাদার প্রতীক। ১৯৫২ সালে মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে যারা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই আমরা দিনটি পালন করি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে। এই বিশেষ দিনে মানুষ নানা উপায়ে তাদের ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
এসময় অরো উপস্থিত ছিলেন যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য ডা. মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ রনী খাতুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবাংশু বিশ্বাস, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. মো. আব্দুর রশিদ, থানা অফিসার ইনচার্জ শাহজালাল আলম, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. নুরুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মাসুমা আখতার, উপজেলা প্রকৌশলী অফিসার সাইফুল ইসলাম মোল্লা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওলিয়ার রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস এম সুলতান আহমেদ, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার তোফাজ্জল হোসেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সহকারী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম, সহকারী উপজেলা মৎস্য অফিসার নান্নু রেজা, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা (পজীপ) মো. আনিছুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আব্দুস সামাদ, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার কামরুজ্জামান, ঝিকরগাছা সরকারি এম এল মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান আজাদ, সহকারী প্রধান শিক্ষক এএফএম সাজ্জাদুল আলম, ঝিকরগাছা বিএম হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) নাজমুল আলম, ঝিকরগাছা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহসান উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের সিএ ইমদাদুল হক ইমদাদ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধার রফিকুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল আলিম, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম খান, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সোহাগ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ উপজেলা শাখার সভাপতি দুলাল অধিকারী বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মৃণাল কান্তি দত্ত, উপজেলা ছাত্র সমন্বয়ক প্রতিনিধি আঁখি খাতুনসহ আরও অনেকে।
উল্লেখ্য, উপজেলা পরিষদের আয়োজনে সকাল সাড়ে ১০টার সময় উপজেলা পরিষদের হল রুমে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ রনী খাতুনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য ডা. মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ।
মহেশপুর প্রতিনিধি:
ঝিনাইদহের মহেশপুরে যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে মহেশপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়।
রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রের পক্ষে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার। পরে উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একে একে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এরপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র পক্ষ থেকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান রনির নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মীরা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। পরে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। অনেকেই খালি পায়ে শহীদ মিনারে এসে নীরবে দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ করেন।
নাসির উদ্দীন দেবহাটা : বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা দেবহাটার ভাষা সৈনিক প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান সরদারের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ইউনিয়ন পরিষদ পরিষদের আয়োজনে ধোপাডাঙ্গায় প্রয়াত এ ভাষা সৈনিকের সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্যদিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, ইউপি সদস্য নাজিম উদ্দিন, ইউপি ডাঃ নজরুল ইসলাম, আবুল হোসেন, মহিলা ইউপি সদস্যা রেহেনা খাতুন, জুলেখা খাতুন সহ ভাষা সৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান সরদারের পরিবারের সদস্যগন।
১৯৩২ সালের ৩০ এপ্রিল জেলার বৈচনা গ্রামে মামার বাড়ীতে জন্মগ্রহন করেন তিনি। ছোট থেকেই লুৎফর রহমান সরদার বেশ সাহসী ও প্রতিবাদী স্বভাবের ছিলেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিলেন এই মহান নেতা।
সাতক্ষীরা জেলার অন্যতম বিদ্রোহী পুরুষ ছিলেন ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান সরদার।
মহম্মদপুর ( মাগুরা) প্রতিনিধিঃ
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা প্রশাসন ও সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণে যথাযোগ্য মর্যাদায় অমর একুশে পালিত হয়েছে। (২১শে ফেব্রুয়ারির) প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে উপজেলা পরিষদ চত্বরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহা.শাহনুর জামান,মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.আশরাফুজ্জামান,এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাঃ কাজী মো.আবু আহসান সহ
অন্যান্য কর্মকর্তা বৃন্দ একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ: শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেন। উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মৈমুর আলী মৃধা,জেলা বিএনপির সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ (অব.) মোহাঃ মতিউর রহমান,(ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ এস এম ইউনুচ আলী,সহকারী অধ্যাপক ড.রইচ উদ্দীন,প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ।উপজেলা যুবদল স্বেচ্ছাসেবক দল,ছাত্রদলের নেতাকর্মী এবং প্রেসক্লাব মহম্মদপুরের সাংবাদিক বৃন্দ। সবশেষে চিত্রাংকন সংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ এর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার।
আলোচনা সভায় বক্তারা মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, “বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় ১৯৫২ সালের এই দিনে যারা রক্ত দিয়েছেন, তাদের ত্যাগ বৃথা যায়নি। আজ সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হচ্ছে, যা আমাদের জন্য গৌরবের।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিভাবক ও সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আরেফিন জুয়েল, বিপিএম। তিনি ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে দেশ গড়ার কাজে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
আলোচনা পর্ব শেষে ভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন
বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।জাতীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ।রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। পরিশেষে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
এদিকে ঘড়ির কাঁটায় রাত ১২টা বাজার অনেক আগে থেকেই সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে আসতে থাকে মানুষ। হাতে ফুলের স্তবক, কণ্ঠে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’—সব পথ এসে মিশেছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সাতক্ষীরাবাসী স্মরণ করল ভাষাশহীদদের।
শুক্রবার রাত ১০টা থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন ব্যানার নিয়ে আব্দুর রাজ্জাক পার্কে সমবেত হতে থাকে। রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শুরু হয় মূল শ্রদ্ধা নিবেদন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের পক্ষে প্রথমে শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার। এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আরেফিন জুয়েল। একে একে জেলা পরিষদ, সাতক্ষীরা পৌরসভা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সদর উপজেলা প্রশাসন, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা শহীদদের প্রতি সম্মান জানান।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জেলা শাখা ও এর সহযোগী সংগঠন—মহিলা দল, শ্রমিক দল, কৃষক দল, ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে বিশাল মিছিল নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধা জানান জাসাস ও অন্যান্য রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও।
সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, গণপূর্ত বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি, সড়ক বিভাগ, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ও জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।
পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব, জেলা নাগরিক কমিটি, চেম্বার অব কমার্স, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি শ্রদ্ধা জানায়। এ ছাড়া দৈনিক পত্রদূত, প্রথম আলো বন্ধুসভা, সাতক্ষীরা জেলা স্কাউটস, সনাক, সুজন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন একুশের চেতনায় শহীদ বেদি আলোকিত করে তোলে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ, দিবা-নৈশ কলেজ, সিটি কলেজ ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রভাতফেরি ও মিছিলে অংশ নেন। হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা জানানো হয়।
জেলা সদর ছাড়াও তালা, কলারোয়া, আশাশুনি, দেবহাটা, কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলায় একুশের প্রথম প্রহরে অনুরূপ আয়োজনে শহীদদের স্মরণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা কড়া নজরদারি পালন করেন।
দিবসটি উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে কালো ব্যাজ ধারণ করে সর্বস্তরের মানুষ প্রভাতফেরিতে অংশ নিয়ে আবারও প্রমাণ করেছে—একুশ মানেই বাঙালির অদম্য, মাথা নত না করা চেতনা।

