নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোরে আলোচিত অস্ত্র মামলায় ৬ সন্ত্রাসীকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে ডিবি। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন এসআই শফি আহমেদ রিয়েল।
অভিযুক্ত আসামিরা হলো, শহরের খড়কি দক্ষিণ পাড়ার (হাজাম পাড়া) হাজেরা বেগমের বাড়ির ভাড়াটিয়া মুরাদ সরদারের ছেলে জুম্মান সরদার , হাদিউজ্জামান হাদি মোল্লার ছেলে আরমান মোল্লা, শংকরপুরস্থ যশোর কলেজ রোডের হোসেন মোল্লার বাড়ির ভাড়াটিয়া জাকির হোসেনের ছেলে রাহাত হোসেন, চাঁচড়া রায়পাড়া তুলোতলার সাইফুল ইসলাম রিপনের ছেলে ইব্রাহিম ওরফে প্রিন্স, চাঁচড়া রায়পাড়া ইসমাইল কলোনির আব্দুল আলিম ওরফে ড্যাপ পকেটমারের ছেলে সাগর ও বেজপাড়া ফুড গোডাউনের দক্ষিণ পাশের রবিউল ইসলম রবির ছেলে রাব্বি ইসলাম শুভ ওরফে খোঁড়া শুভ।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, গত ৪ মে রাতে র্যাব-৬ সিপিসি-৩ যশোর ক্যাম্পের একটি দল শহরের শংকরপুরে ফারদিন গ্লাস অ্যান্ড প্লাস্টিক স্টোর কারখানা সংলগ্ন জনৈক তরিকুল ইসলামের ‘ইসলাম ইঞ্জিনিয়ারিং’ এর পেছন থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২টি ওয়ান শ্যুটারগান উদ্ধার করে। এ ঘটনায় র্যাব কোতয়ালি থানায় একটি জিডি করে। গত ২৯ মে ফারদিন গ্লাস অ্যান্ড প্লাস্টিক স্টোরের মালিক আশরাফুল ইসলাম বিপ্লব চাঁদাদাবির অভিযোগে আসামি জুম্মান সরদারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন। এই মামলার তদন্তকালে ডিবি পুলিশের এসআই মো. মফিজুল ইসলাম আসামি জুম্মান সরদার, আরমান মোল্লা ও রাহাত হোসেনকে আটক করেন। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে, চাঁদার টাকা না পেয়ে আশরাফুল ইসলাম বিপ্লবকে ফাঁসাতে উল্লিখিত স্থানে তারা ২টি ওয়ান শ্যুটারগান রেখেছিল। যা পরবর্তীতে র্যাব পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে অস্ত্র সংক্রান্ত ঘটনার সাথে জড়িত ৬ জনকে আসামি করে অস্ত্র আইনে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন এসআই মফিজুল ইসলাম। আটক আসামিদের দেয়া তথ্য ও স্বাক্ষীদের বক্তব্যে ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় ওই ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

