নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোরে র্যাব-৬ অভিযান চালিয়ে ট্রাকভর্তি ৫শ’ কেজি জেলিপুশকৃত চিংড়ি জব্দ করেছে। একইসাথে জেলি পুশ করায় ৩ ব্যবসায়ীকে একলাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার রাতে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের লাউজানি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই চিংড়ি জব্দ করা হয়।
র্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার এম নাজিউর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে, চিংড়ি মাছে ইনজেকশনের মাধ্যমে জেলি পুশ করে মাছের ওজন বৃদ্ধি করে অস্বাস্থ্যকর ভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে ০১ টি ট্রাক ভর্তি চিংড়ি মাছ সাতীরার শ্যামনগর থেকে ঢাকার যাত্রাবাড়ী বাজারে যাচ্ছে। এই সংবাদের সূত্র ধরে বুধবার রাতে র্যাব সদস্যরা যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের লাউজানি এলাকায় অবস্থান নেয়। এখানে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে চিংড়ি মাছ ভর্তি ০১ টি ট্রাক থামিয়ে, ট্রাকে ভর্তি চিংড়ি মাছে ইনজেকশনের মাধ্যমে জেলি পুশ করেছে কিনা তা চেক করা হয়। এ সময় যশোর-ট- ১১-৫৮৫৫ নম্বর ট্রাক হতে ৩৩ টি ককসিট ভর্তি চিংড়ি মাছ ইনজেকশনের মাধ্যমে জেলি পুশ করা প্রমাণ পাওয়া যায়। ৩৩ টি ককসিট ভর্তি চিংড়ি মাছে অস্বাস্থ্যকর ইনজেকশনের মাধ্যমে পুশ করা জেলি পাওয়ায় মৎস্য ও মৎস্য পণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) বিধি মালা ১৯৯৭ (সংশোধিত বিধিমালা ২০০৮) এর বিধি ৪(৪) লংঘন করায় উক্ত বিধিমালার বিধি ৪(৫) এর প্রদত্ত মতাবলে তিন চিংড়ি ব্যবসায়ীকে একলাখ টাকা জরিমানা করা হয় জরিমানা করেন যশোর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য পরিদর্শক ও মান নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা লিপ্টন সরদার। এর মধ্যে সাতীরার দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া এলাকার মনি ফিসের মালিক পলাশকে (৪০) দশ হাজার টাকা, শ্যামনগরের বংশীপুর এলাকার বন্ধু ফিসের মালিক রোকনকে ৬০ হাজার টাকা এবং দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া এলাকার সালাম ফিসের মালিক হাসানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসাথে জব্দ করা ৩৩ টি ককসিট ভর্তি জেলি পুশ করা আনুমানিক ৫০০ কেজি চিংড়ি ধ্বংস করা হয়। যার মুল্য আনুমানিক পাঁচলাখ টাকা।
