নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া গাইদগাছি গ্রামে ডাকাত সন্দেহে গণধোলাইয়ে মাসুদ রানা (৪০)নামে এক ডাকাত নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ডাকাত সহ ১০জন। বুধবার (২৩ আগস্ট) দিন গত রাত সাড়ে তিনটার দিকে (বৃহস্পতিবার ভোরে) এ ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশ বলছে পূর্ব শত্রুতার জেরে এ মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
নিহত ডাকাত মাসুদ রানা সদর উপজেলার কেফায়েত নগর গ্রামের সোহরাব হোসেন মোল্লা ছেলে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন একই গ্রামের জুলফিকার আলী খাঁ (৩৫), সুবল কাটিগ্রামের ইসরাফিল হোসেন (১৯),,সজীব (১৯), সুমন হোসেন (২০), মইনউদ্দিন (২০)।
স্থানীয়রা জানান, গভীর রাতে গাইদগাছি গ্রামের সাইদা বেগমের বাড়িতে ডাকাতি করতে করতে যায় নিহত মাসুদ রানাসহ আহতরা। এ সময় প্রতিবেশী জুলফিকার আলী খাঁ এর শশুরবাড়িতে গাঁজা-ইয়াবা সেবন করার সময়ে এলাকার বাবু (৩৫), মুরাদ (৩০), রাজু (৩০), শিমুল মসজিদে মাইকিং করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জন একত্রিত হয়ে তাদেরকে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনি দেয়। পরে মাসুদ রানাকে
অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেওয়ার পথে অভয়নগর থানার সীমান্তবর্তী বনগ্রাম কাটাখালী মোড়ে পৌঁছালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম বলেন, একদল যুবক গভীর রাতে গাইদগাছি গ্রামের একটি বাড়িতে বসে নেশাদ্রব্য গ্রহণ করছিলো। এসময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আরেক দল যুবক তাদের ওপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারপিট করে। এতে ৫ যুবক গুরুতর আহত হন। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মাসুদ রানা। খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে যেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় আহত চার জনকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি যশোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

