শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

যশোরে শহর ও শহরতলীতে দু’যুবক খুন

আরো খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরে শহর ও শহর তলিতে  দু’যুবক খুন হয়েছেন।  শুক্রবার রাতে যশোর শহরের বারান্দীপাড়া এবং সদর উপজেলার ঘুরুলিয়ায় এ ঘটনা দুটি ঘটেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মোটর পার্টস ব্যবসায়ী নাহিদ হাসান রাত সাড়ে ৯টার দিকে  শহরতলীর শেখহাটি নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে তিনি শহরের বারান্দীপাড়া এলাকায় পৌঁছুলে একদল দুর্বৃত্ত তাকে ছুরিকাঘাত করে। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা তাকে উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে যশোর শহরতলীর ঘুরুলিয়া এলাকার বাসিন্দা ইউনুসের সাথে ছোট ভাই ইউসুফের বিরোধ বাঁধে।   এর জের ধরে ছোট ভাই ইউসুফ বড় ভাইকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।   ইউনুসকে মুমূর্ষ অবস্থায় যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত ইউনুছ ঘুরুলিয়া গ্রামের লতিফ মিয়ার ছেলে ও নিহত নাহিদ শেখহাটি গ্রামের  বাচ্চু শেখের ছেলে।

প্রতাক্ষদর্শি, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়,  শুক্রবার রাত সাড় ৮ টার দিকে ইউছুপের ছোট ভাই ইউনুছের পারিবারিক কলহের কারনে হাতাহাতি হয়। এসময় ইউসুফ সে তার ভাই ইউনুছের বুকে ছুরিকাঘাত করে।  হাসপাতালে আনার পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
অপর দিকে রাত ৯ টার দিকে দূর্বৃত্ত্বরা পূর্ববারান্দী নাথপাড়া নদীর পাড়ে মাঠের মধ্যে নাহিদের গলায় ছুরিকাঘাত করে চলে যায়। নাহিদের গোংড়ানোর আওয়াজ পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এবং হাসপাতালে আনার পরে নাহিদের মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত ডাক্তার সালাউদ্দিন বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। মুলত ছুরিজাঘাতে প্রচুর রক্তক্ষরণে তারা মারা যায়।
জানতে চাইলে কোতয়ালী থানার ওসি মো তাজুল ইসলাম বলেন, পৃথক দুটি ঘটনায়ই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কি কারনে খুন হল পুলিশ বিষয়টি  খতিয়ে দেখছে।

স্থানীয়রা জানান,সুরাইয়া বেগম এর সাথে ছোট ভাই ইউসুফ(১৯) এর পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া বিবাদ শুরু হয়। ঝগড়া বিবাদের এক পর্যায়ে ছোট ভাই ইউসুফ চাকু দ্বারা বড় ভাই ইউনুস এর বুকের বাম পাশে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে।

জানা যায়, ছোট ভাই ইউসুফ একজন মাদকসেবী এবং স্বভাব চরিত্র ভালো নয়। তার বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে এলাকায় অন্য মেয়েদেরকে উত্যক্ত করার অভিযোগ আছে । ইউসুফ তার বড় ভাবিকেও দীর্ঘদিন যাবত উত্ত্যক্ত করে আসছে বলে তারা দাবি করেন। তারই জের হিসেবে  এই খুনের  ঘটনা ঘটেছে বলে অনেকের ধারানা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ