নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোর ইনস্টিটিউটের বিশেষ বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে বি-সরকার মেমোরিয়াল হলে এই সভা করা হয়। জেলা প্রশাসক আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আবুল কালাম আজাদ লিটুর পরিচালনায় সভায় ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা ও অনুমোদন প্রদান করা হয়।
সভায় বিগত সাধারণ সভার কার্যবিবরণী পাঠ ও অনুমোদন, জুলাই ২০২১ থেকে জুন ২০২৪ সময়কালের বার্ষিক কার্যবিবরণী পাঠ ও অনুমোদন এবং ২০২৩ থেকে ২০২৪ অর্থবছরের নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণ উপস্থাপন ও অনুমোদন করা হয়। এছাড়াও, ইনস্টিটিউটের সংবিধানের ০৫, ০৬, ৪১ ও ৫২ নং অনুচ্ছেদ সংশোধন বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ইনস্টিটিউটের সভাপতি অনুমোদিত বিবিধ বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। এছাড়া ২০২১ থেকে ২২, ২০২২ থেকে ২৩ ও ২০২৩ থেকে ২৪ অর্থবছরের অডিট রিপোর্ট এবং বার্ষিক প্রতিবেদনও উপস্থাপন করা হয়।
আলোচ্যসূচিতে ইনস্টিটিউটের সম্ভাব্য আয়ের উৎস ও হিসাব তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন স্থাপন ও সম্পদ থেকে মোট ৩১ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৪ টাকা আয় হয়েছে। এর মধ্যে এম.এম আলী রোডস্থ ইনস্টিটিউট মার্কেট থেকে ১১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৪৮ টাকা, আর এন রোডস্থ উন্মেষ মার্কেট থেকে ১১লাখ ১৩ হাজার ৯৯৬ টাকা, পুকুর থেকে ২৮হাজার ৫০০ টাকা, আলমগীর সিদ্দিকী হল (টাউন হল) থেকে ২০০০ টাকা, ভূ-পতি মঞ্চ থেকে ২০০০ টাকা, সাধারণ সদস্যদের চাঁদা থেকে ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫২০ টাকা, মুন্সী মেহেরুল্লাহ ময়দান থেকে ৪৮ হাজার টাকা এবং রওশন আলী মঞ্চ থেকে ৫২ হাজার টাকা অর্জিত হয়েছে।তবে বি-সরকার মেমোরিয়াল হল থেকে কোনো আয় দেখানো হয়নি।
সভায় জানানো হয়, এই আয় দিয়েই ইনস্টিটিউটের ২৩ জন কর্মচারীর বেতন-ভাতা, বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট ও টেলিফোন বিল, পত্রিকা সংগ্রহ, অফিস সামগ্রী, আসবাবপত্র, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া খাতের ব্যয় এবং অন্যান্য দেনা পরিশোধ করা হয়। বর্তমানে ইনস্টিটিউটের মোট সদস্য সংখ্যা ৭৭৭ জন।
সভায় সাধারণ সম্পাদক জানান, আয়ের তুলনায় ব্যয় কিছুটা বেশি হলেও ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ সকল ক্ষেত্রে সামঞ্জস্য বজায় রেখে উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। উপস্থিত সদস্যবৃন্দ সাধারণ সম্পাদক ও পরিচালনা পর্ষদের এই প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানান।
সভায় সাধারণ সম্পাদক জানান, আয়ের তুলনায় ব্যয় কিছুটা বেশি হলেও ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ সকল ক্ষেত্রে সামঞ্জস্য বজায় রেখে উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। উপস্থিত সদস্যবৃন্দ সাধারণ সম্পাদক ও পরিচালনা পর্ষদের এই প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানান।
সাধারণ সভায় ইনস্টিটিউটের সাধারণ সদস্য ও পরিচালনা পরিষদের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

