নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোর নড়াইল সড়কে ছাতিয়ানতলা বাজারের শেখ মার্কেটের পাশে বিশাল বড় সাইজের একটি মরা শুকনো শিমুল(মান্দার) গাছ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে দীর্ঘ দিন।
এই শুকনো মরা শিমুল(মান্দার) গাছটি পথচারী ও সাধারণ মানুষের মৃত্যু ফাদে পরিনত হয়েছে। যেকোন সময় হালকা হাওয়াই মরা মান্দার গাছটি ভেঙ্গে পড়তে পারে রাস্তার ওপর।
যশোরের বাঘার পাড়া উপজেলার ছাতিয়ানতলা বাজার একটি প্রাচীনতম বাজার।এই মরা শুকনো এই শিমুল ( মান্দার) গাছ টি বেশ বড়,।তার চার পাশে রয়েছে বিদ্যুৎ লাইনের বড় তার।
যার কারণে স্থানীয়রা অনেক চেষ্টা করেও এই মরন ফাদ অপসারণ করতে পারিন।বিশাল বড় শুকনো মরা শিমুল ( মান্দার) গাছটির মাথার অংশ রোডের অপর পাশে রয়েছে ৩৩ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক তার। যার কারনে আতঙ্কিত ছাতিয়ানতলা সহ আশপাশে কয়েক এলাকার সাধারণ মানুষ। ছাতিয়ানতলা বাজারে অবস্থিত একটি কলেজ, একটি মাদ্রাসা,একটি গার্লস স্কুল, একটি প্রাইমারি স্কুল, একটি হাই স্কুল স্কুল,একটি প্রি ক্যাডেট চাইল্ড কিয়ার একাডেমি। ছোট বড় প্রায় ৫ শতাধিক ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ও রাইচ মিল, সমিল সহ বিভিন্ন মিল কারখানা রয়েছে দুই ডজন।
প্রতিনিয়ত কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মরা শুকনো মান্দার গাছের নিচ দিয়ে শিা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে থাকে।
সম্প্রতি মধুমতি (মাওয়া) ব্রিজ উদ্বোধনের পর থেকে যশোর নড়াইল সড়কে ঢাকা গামী যানবাহনের চাপ মারাত্মক আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এই শুকনো মরা মান্দার গাছের নিচ দিয়ে ঝুঁকির মধ্য চলাফেরা করতে হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের। বাজার কমিটির সাবেক সভাপতি ইলিয়াস হোসেন জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এই শুকনো মরা মান্দার গাছটি অপসরণের শত চেষ্টা করেও কোন আশু ফল পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বুধপুর গ্রামের মেম্বার রিপন হোসেন বলের, বিষয়টি একাধিক কর্মকর্তাদের জানালেও কোন লাভ হয়নি।
ছাতিয়ানতলা বাজারের চাউলও ভুষি মাল ব্যাবসায়ী শহর আলী বলেন, মেইন রোডেই আমার দোকান, তাই আমি আতঙ্কে থাকি সব সময়,চোখের সামনে কখন না জানি ঘটে যায় বড় দুর্ঘটনা।
সাধারণের পাশাপাশি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরা রয়েছে চরম আতঙ্কে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ মরা শুকনো মান্দার গাছটি অপসরণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপরে আশু হস্তপে কামনা করেছে।
যশোর নড়াইল সড়কে ছাতিয়ান তলা বাজারের ওপর মরা গাছটি এখন মরন ফাঁদ

