এস এম আল মামুন
নানা ঐতিয্যে খাত যশোরের বৃহত্তর মোকাম মণিহার ফলপটি চত্বর। প্রতিদিন এই পটি থেকে প্রায় কোটি টাকা রাজস্ব আসলেও সারা বছর যেখানে রয়েছে নরক যন্ত্রনা। বর্ষাকালে কাদা পানি আর গৃস্মে ধুলা বালি। আর্বজনা পচাঁ দুরগন্ধ। এরই মধ্য দিয়ে দিনের পর দিন মাসের পর মাস বছরের পর বছর ছলছে ফলপটির ব্যবসায়ীদের রুটি-রুজির ব্যবস্থা। রাজা আসে রাজা যায় কেউ তাদের কথা রাখেন না।
৮০ দশকে স্বল্প পরিসরে যাত্রা শুরু হয় মণিহার এলাকার ফলপটির। ধীরে ধীরে তা সমৃদ্ধ হয়ে দক্ষিন বঙ্গে এতিয্যবাহী মোকামে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এখানে ব্যসায়ীর সংখ্য ৪২০ জন। গোটা শহরে যার সংখ্য ৬৬৭ জন। ভারত,চায়না,নিউজিল্যান্ড,মিশর এবং সাউথ আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা ফল এই পটি থেকে দেশের ভিভিন্ন স্থনে বাজারজাত করা হয়।
যশোর জেলা ফল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এ্সএম সাইফুল ইসলাম লিটন জানিয়েছেন, প্রতিদিন নি¤œ পক্ষে ১৫ ট্রাকে ৮ হাজার কাটুন ফল এই মোকামে আসে। বিদেশী এই ফল থেকে সরকারের রাজস্ব আসে প্রায় এক কোটি টাকা। তাছাড়া দেশী মৌসুমি ফল আম লিচু আসলে তো কথাই নেই। দেশের প্রায় ২০ জেলার ব্যবসায়ীদের ভীড় বেড়ে যায়। এসময় আবসিক হোটেল গুলোতে সিট পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি বলেন, শুধু ব্যসায়ী নয় এই পটিতে প্রায় ২ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থনের সুযোগ সৃস্টি হয়েছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন,জনগুরুত্বপূর্ণ এই মেকাম উন্নয়নের প্রতি কারোর নজর নেই। তিনি বলেন, সর্বশে গত পৌরসভা নির্বাচনের পুর্বে বর্তমান নগর পিতা ভোট প্রার্থনায় এসে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফল পটির সমস্যা সমাধান করা হবে। ব্যাচ ওই পর্যন্তই শেষ। সমস্য সমাধান দুরের কথা এখনও পর্যন্ত তার সাথে দেখা করার সৌভাগ্য হয়নি। একই আশ^াস দিয়েিেছলেন আগের মেয়র জহিরুল ইসলাম রেন্টু চাকলাদার। কিন্তু তিনিও কথা রাখেননি বা রাখতে পারেননি। তার আগের নগর পিতাদেরও একই অবস্থা। অর্থাত ক্ষমতায় গিয়ে অনেকের ভাগ্য বদলিয়েছে ঠিকই কিন্ত ফলপটি রয়েছে সেই আগের চেহারায়। শেখ হাসিনা সরকার এত উন্নয়ন করছে কিন্তু মণিহার অংশের এই রাস্তাটি কেন উন্নয়ন হচ্ছেনা এমন প্রশ্ন করে সাইফুল ইসলাম লিটন বলেন, এ এক আজব ব্যাপার। ব্যস্ততম এই মহা সড়কটি ১২ মাসই খারাপ থাকে। যা চলছে বছরের পর বছর। বর্তমানে গাড়া গর্তে সড়কটি চলাচলে অনপযোগী হয়ে পড়লেও দেখার যেনো কেউ নেই। এব্যাপারে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলীদের সাথে যোগাযো করা হলে তারা বলেন বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। কবে এই প্রক্রিয়া শেষ হবে আমরা জানি না। তিনি বলেন, ফলপটির পুর্ব পাশে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত বিজয় স্তম্ভ। যার সাথে আমাদের অস্থিত্ব মিশে আছে। অথছ সেই এলাকাটি বেশী অবহেলিত। সবধরনের ময়লা আবর্জনা ফেলা হয় সেখানে। নিয়মিত তা অপসারণ না করায় পচাঁ-দুরগন্ধে এলাকার পেিবশ দুষিত হয়ে উঠেছে। এত পচাঁ গন্ধ নাকে রুমাল না দিয়ে রাস্তা পার হওয়া যায় না। তা এই শোকের মাসে আরো বিষিয়ে তুলেছে। আমরা এই নরক যন্ত্রনা থেকে নিস্কৃতি চাই।

