বিশেষ প্রতিনিধি
যশোর শহরের আশ্রম রোডে সিঅ্যান্ডবি মসজিদের পেছনের বাড়ি থেকে গলাকাটা অবস্থায় রওশন আরা বেগম রোশনী (৫৩) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মঙ্গলবার ৩০ আগষ্ট দিবাগত গভীর রাতে কোতয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। নিহতের মা উপশহর ডি ব্লক এলাকার সেবিনা বেগম অজ্ঞাত আসামিরা উল্লেখ করে মামলাটি করেন।
মামলায় সেবিনা বেগম উল্লেখ করেন, রোশনির স্বামী প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ছিলেন। ১৯/২০ বছর আগে মৃত্যু বরন করে। রোশনির ছেলে সরকারি কর্মকর্তা। বর্তমানে পিএইচডি করার জন্য আমেরিকায় আছে। তার একমাত্র মেয়ে ঢাকার একটি বেসরকারি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী। রোশনি তার স্বামীর বাড়িতে একা বসবাস করে আসছিল। গত ২৯ আগস্ট বিকেল ৪টায় তিনি রোশনির বাড়িতে গিয়ে গেটের কলিং বেল বাজান। কিন্তু গেট খোলা ছিল। তিনি বাড়ির মধ্যে ঢুকে গ্রিলে তালামারা দেখতে পান। ডাকাডাকি করে কোন শব্দ না পেয়ে পেছনের জানালার ফাঁক দিয়ে ঘরের মধ্যের আলমারি খোলা দেখতে পান। সন্দেহ হলে ঘরের পেছনের নিয়ে বেডরুমের জানালার পর্দা সরিয়ে ঘরের মধ্যে জিনিসপত্র এলোমেলো দেখতে পান সে সময় তাৎক্ষনিক তিনি তার ছোট মেয়ে ডা. দিলরুবা ফেরদৌসকে (৩৮) মোবাইলে কল করেন এবং পুলিশকে সংবাদ দেন। পুলিশ এসে তালাভেঙ্গে ঘরের মধ্যে প্রচুর রক্ত এবং ধস্তাধস্তির চিহ্ন দেখতে পান। পরে তার বেডরুমের বঙ্খাটের মধ্যে রোশনির দরদেহ দেখতে পান। তার ধারনা দুর্বৃত্ত্বা ঘরের মধ্যে ঢুকে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে যে কোন সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টা করে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোরে জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে ময়নাতদন্ত হওয়ার পর লাশ দাফন করা হয়। ওই মহিলার হত্যাকান্ড নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে নান প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে। তবে এখনও এর রহস্য উদঘটনা হয়নি। #
যশোর শহরের আশ্রম রোডে গৃহবধূ গলাকেটে হত্যার ঘটনায় মামলা

