এম এ রহিম.বেনাপোল :নেই ট্রাফিকিং ব্যাবস্থা,জায়গা ও ইকুুপমেন্ট স্বল্পতাসহ বিভিন্ন কারনে স্থলবন্দর বেনাপোলে ভয়াবহ পন্য ও যানজটের নগরীতে পরিনত হয়েছে। দুর্ভোগ বাড়ছে সর্ব সাধারনের। আমদানি রফতানি বানিজ্যে সৃষ্টি হয়েছে অচলাবস্থা।
ভৌগলিক দিক থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের বানিজ্য নগরী কলিকাতার দুরুত্ব কম হওয়ায় স্বল্প সময়ে কম খরচে আমদানি রফতানিসহ পাসপোর্ট যাত্রী গমনাগমনে বন্দরের গুরুত্ যায় বেড়ে। বেড়ে যায় বাস ট্রাকসহ পাসপোর্ট যাত্রীর চাপ।
বন্দরের জায়গা ও ইকুপমেন্ট স্বল্পতাসহ-আমদানি রফতানিতে ভারত অংশে ডেলিভরীতে বিলম্বের কারনে বন্দরে ভয়াবহ পন্যও যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মেইন সড়কে ঘন্টারপর ঘন্টা আটকে থাকছে ভারত ও বাংলাদেশে যাতায়াতকারী পাসপোর্ট যাত্রী পথচারি ও পন্যবাহি ট্রাকসহ দুর পাল্লার পরিবহন। চালকেরা পড়ছেন বিড়ম্বনায়। বাড়ছে ডেমারেজ।
নাভিশ্বাস বাড়ছ সর্বসাধারনের। দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারি ও বন্দর ব্যাবহারারীরা। বন্দর ও কাষ্টমসের দায়িত্বহীনতার কারনেও বাড়ছে পন্যজট। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যাবসায়িরা। ট্রাফিক পুলিশসহ প্রশাসনের বিভিন্ন এজেন্সির সদস্যরাও থাকছেন নির্বাক। ভোগান্তিতে পাসপোর্ট যাত্রী পথচারি শিক্ষাথীও সর্ব সাধারন। দুর্ভোগ ও অসহনীয় যানজট থেকে পরিত্রান চানযাত্রী ও আমদানি রফতানির সাথে সংশ্লিষ্টরা।
বেনাপোল আমদানি রফতানিকারক সভাপতি মহাসিন মিলন ও সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যাবসায়ি বকুল মাহবুব বলেন ভারতের পেট্টাপোল বন্দরে পন্যবাহি ট্রাক গ্রহনে দেরী করায় বাড়ছে যান জট।
ভারতীয় খালিট্রাক ও পনবাহি ট্রাক রাখা হচ্ছে সড়কের উপর ফলে আটকা পড়ছে যানবাহন। বাড়ছে ভোগান্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পচনশীল পন্য। পথেই নস্ট হচ্ছে সময় ও অর্থ।
বেনাপোল বন্দরে ধারন ক্ষমতার অতিরিক্ত পন্য রাখা হচ্ছে। ফলে জমি অধিগ্রহনসহ ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সাথে বিষয়টি সুরাহে চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানান ভারপ্রাপ্ত বন্দর পরিচাল আব্দুল জলিল।
বেনাপোল বন্দরের ৫৫হাজার মে:টন ধারন ক্ষমতা থাকলেও পন্য রাখা হয় প্রাায় ২ লক্ষ মে:টন। ভারত ও বাংলাদেশী পন্যবাহি ট্রাক রাখা হচ্ছে সড়কে। ফলে বাড়ছে জট।

