বেনাপোল প্রতিনিধি:ডলার সংকটে যখন দেশ এসময়ে যুগন্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত ও বাংলাদেশ। বানিজ্য সৃস্ট হলো মাইলফলক।এবার ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রুপিতে শুরু হলো আমদানি বানিজ্য। মঙ্গলবার সন্ধায় প্রায় দেড়কোটি টাকা মুল্যের ৩৬টি চেচিস আমদানি কর হলো রুপিতে। যার রফতানি কারক ভারতের টাটা মটরস ইন্ড্রাষ্ট্রি লি:। আমদানিকারক যশোরের নিতা মটরস ইন্ড্রাষ্ট্রি লি:। এর ফলে খুশি ব্যাবসায়িরা। রপিতে আমদানি চালু হওয়ায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আরো একটি মাইল ফলক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি হলো বলে জানান ব্যাবসায়ি নেতা আমদানি রফতানি কারক সমিতির সভাপতি মহাসিন মিলন ও ষ্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান।
বেনাপোল বন্দর পরিচারক আব্দুল জলিল ও বাংলাদেশ ভারত চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মতিয়ার রহমান জানান,দেশে যখন ডলার সংকট চলছে এসময়ে দু দেশের মধ্যে সু সম্পর্কের কারনে রুপি ও টাকাতে শুরু হলো আমদানি রফতানি। রুপিতে এলসি দিয়ে মঙ্গলবার বিকালে আমদানিকৃত ৩০হাজার৭শ ৩০কেজি ওজনের ৩৬টি চেচিসের চালান এসেছে বন্দরে। যার আমদানি মুল্য ১কোটি ২৩লাখ১শ ৬০রুপি। ডলারেরও চলবে আমদানি রফতানি। তবে এটা একটা মাইল ফলক সিদ্ধান্ত বলে জানান তারা। রুপি ও টাকায় বানিন্য চালু হওয়ায় লাভবান হবে উভয়দেশ। কমবে ডলারের চাহিদা বাড়বে বানিজ্য লাভবান হবে ব্যাবসায়িরা। কমবে হয়রনি শাশ্রয় হবে অর্থ। চিন ভারতসহ সব দেশের সাথে ডলারের পরিবর্তে স্ব স্ব দেশের মুদ্রায় আমদানি রফতানি করতে চান ব্যাবসায়িরা।
উল্লেখ্য ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে প্রতিবেশী ২ দেশ রুপিতে বাণিজ্য শুরুর এ ঘোষণা দেওয়া য়েছে।গত ১১ জুলাই মঙ্গলবার ঢাকার লা মেরিডিয়ান হোটেলে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ভারতীয় হাইকমিশন ২ দেশের বাণিজ্যে রুপি ব্যবহারের ঘোষণা দেয়।বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব তপন কান্তি ঘোষ, ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা অনুষ্ঠানে উপ¯ি’ত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর আবদুর রউফ তালুকদার ভারতে বাংলাদেশ ভ্রমণকারীদের সুবিধার্থে আগামী সেপ্টেম্বরে ‘টাকা-রুপি কার্ড’ চালুর সম্ভাবনার কথা জানান। এই কার্ড দিয়ে দেশে ও প্রতিবেশী ভারতে বিল পরিশোধ করা যাবে।দেশের আমদানিকারকদের কিছুটা স্বস্তি দেবে। তারা প্রতিবেশী দেশ থেকে পণ্য কিনতে রুপিতে এলসি খুলতে শুরু করেছেন। ফলে ডলারের ব্যবহার কিছুটা কমবে। ডলারের ঘাটতির কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও কমে যাওয়া রোধ করতে সরকার আমদানিবিধি কঠোর করেছে। এক বছর আগের তুলনায় রিজার্ভ কমেছে প্রায় ২৩ শতাংশ। ২ দেশের মধ্যে প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের একটি অংশের মূল্য পরিশোধের সুবিধার্থে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোকে ভারতে অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দিয়েছে।রপ্তানি ও রেমিট্যান্স থেকে আসা অর্থের তুলনায় আমদানি মূল্যের পরিমাণ বেশি হওয়ায় দেশের রিজার্ভ কমে যাচ্ছে।
