নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে শনিবার চালু হচ্ছে দেশের প্রথম ই-গেট। বিকালে স্ব রাস্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল এই গেট উদ্বোধন করবেন। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো এই স্থলবন্দরে স্থাপিত হয়েছে ইলেকট্রনিক গেট। প্রথম পর্যায়ে ছয়টি গেট করা হয়েছে। ভারতে প্রবেশের জন্য তিনটি ও ভারত থেকে আসা পাসপোর্ট যাত্রীদের জন্য তিনটি করে এই গেট নির্মাণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই গেট বাড়ানো হবে।
স্থলবন্দর হিসেবে দেশের মধ্যে এই প্রথম যশোরের বেনাপোল চেকপোস্টের ইমিগ্রেশনে উদ্বোধন করা হচ্ছে ইলেকট্রনিক গেট। এতে করে ভারতে যাতায়াতকারী পাসপোর্ট যাত্রীদের ভোগান্তি অনেকটা কমে আসবে। যাত্রীরা সহজেই গেটে পাসপোর্ট শো করলে অটোমেটিকভাবে গেট খুলে যাবে। এতে যাত্রী প্রতি সময় লাগবে মাত্র ৪০ সেকেন্ড। আগে যাত্রীদের ইমিগ্রেশন করতে কমপে ৫ থেকে ১০ মিনিট সময় লাগত। পাসপোর্টবিহীন কেউ ওই গেট দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না।
এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ই-গেট উদ্বোধনের পর বিকেল সাড়ে ৪টায় বেনাপোল ফুটবল মাঠে সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন। পরে বিকেল সাড়ে ৫টায় চেকপোস্টের নো ম্যান্স ল্যান্ডে ভারত-বাংলাদেশের বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত মনোজ্ঞ রিট্রেট অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এর আগে দুপুরে যশোর পুলিশসুপারের নবনির্মিত কায়ালয় উদ্বোদন করবেন স্বরাস্ট্রমন্ত্রী।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান হাবীব জানান, দেশের প্রথম স্থলবন্দর হিসেবে বেনাপোলে প্রথম ইলেকট্রনিক গেটের উদ্বোধন করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। গেটে যাত্রীরা তাদের পাসপোর্ট শো করলেই অটোমেটিক গেটটি খুলে যাবে। একজনের পাসপোর্ট আরেকজন শো করলে গেটটি খুলবে না। এতে করে যাত্রীরা আরো সহজে ইমিগ্রেশনের কাজ করতে পারবেন। মাত্র ৪০ সেকেন্ড সময় লাগবে এ কাজ করতে।
তিনি বলেন, বেনাপোল দিয়ে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন সাত হাজার পাসপোর্ট যাত্রী ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াত করে থাকে। এই গেট উদ্বোধন হলে আমাদের কাজও সহজ হয়ে যাবে। আমরা সেই মাহেন্দ্রণের অপোয় আছি।
যশোর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপপরিচালক মেহেদী হাসান কুতুব জানান, বেনাপোল ইমিগ্রেশনে ইলেকট্রনিক গেট উদ্বোধনের যাবতীয় প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এই গেট উদ্বোধন হওয়ার পর পাসপোর্ট যাত্রীরা দ্রুত সময়ের মধ্যে কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই ভারতে যেতে পারবে।
তিনি আরো বলেন, এ রকম সুবিধা বিমানবন্দরে আছে। বিমানবন্দরের মতো এখন দেশের প্রথম হিসেবে বেনাপোল চেকপোস্টে এই সুবিধা নিশ্চিত করতে যাচ্ছে সরকার। এই সুবিধা চালু হওয়ার পর বেনাপোল বন্দরে ভারতে যাওয়া-আসার জন্য কোনো ঝামেলা থাকবে না। দালালদের দৌরাত্ম্যও থাকবে না।

