বেনাপোল প্রতিনিধি:পূজোর আগেই বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে গেল ১লাখ৭০হাজার৭শকেজি বাংলাদেশী পদ্মার শুস্বাদু রুপালি ইলিশ। গত
তিন দিনে ১৭৩ মেট্রিক টন ৭০০ কেজি ইলিশ মাছ রফতানি হয়েছে ভারতে। কলিকাতায় বাংলাদেশী ইলিশ কিনতে মাছ বাজারে ভীড় করছেন ভোজন রসিক বাবুরা । মাছ রফতাবিকারক প্রতিষ্টান বেনাপোলের রাব্বী ফিস ইন্টার প্রাইজের স্বত্তাধিকারী রাব্বী হোসেন জানান অর্ধলাখকেজি মাছ রফতানির অনুমতি পেয়েছেন তিনি। বিগত বছরের ন্যায় এবারও শুল্কমুক্ত কোটায় ইলিশ মাছ রফতানি করছেন তারা।
বেনাপোল স্থলবন্দর পরিচালক আব্দুল জলিল জানান এ বছর দুর্গাপূজায় ৭৯টি প্রতিষ্টানকে ৩ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বৃহস্পতিবার ৭৭ মেট্রিক টন ১০০ কেজি, শনিবার ৪০ মেট্রিক টন ১০০ কেজি এবং সোমবার ৫৬ মেট্রিক টন ৫০০ কেজি ইলিশ ভারতে রফতানি হয়েছে।
ভারতীয় ইলিশ আমদানিকারকর সংশ্নলিষ্টরা জানান, ‘দুই দেশের মধ্যে সুসর্ম্পকের কারণে এবারও পূজার আগে বাংলাদেশি ইলিশ পেয়েছি। এতে আমরা অনেক খুশি। পূজায় অতিথিদের আপ্যায়ন করতে পারবেন তারা। পাবেন বাড়তি আনন্দ ও সাদ। ট্রাকে করে ভারতে রফতানি করা হচ্ছে ইলিশ
বেনাপোল মৎস্য অফিসের ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন অফিসার মাহবুবুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার থেকে সরকারের বিশেষ অনুমতির ইলিশ রফতানি শুরু হয়। গত তিন দিনে (বৃহস্পতিবার, শনিবার ও সোমবার) এই বন্দর দিয়ে ১৭৩ মেট্রিক টন ৭০০ কেজি ইলিশ ভারতে গেছে। বাকি ইলিশ আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে রফতানি শেষ করবে দেশের ৭৯টি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান।
এদিকে, ইলিশ রফতানিতে সংকটের দোহাই দিয়ে এক সপ্তাহের ব্যবধানে যশোরের বাজারে কেজিতে ইলিশের দাম বেড়েছে ৪০০-৫০০ টাকা। এ জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। বেনাপোল বাজারে ক্রেতা আবদার হোসেন মর্জিনা বেগম জানান, বাজারে ইলিশের দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। এতে ইলিশ না কিনেই রুইনাছ কিনে বাড়ী ফিরছেন তারা।
বাজারের ইলিশ বিক্রেতা আব্নুল করিম ও মশিয়ার রহমান জানান মার্কেট কম আসছে ইলিশ। বেশি দামে ইলিশ কেনায় বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। ফলে ক্রতা বিক্রেতা উভয়ে পড়ছপন বিপাকে।

