মনগর প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের জেলেদের চাল বিতরণে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানে শেখ আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে।
প্রজনন মৌসুমে জেলেদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫৬কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে ৫০ থেকে ৫১ কেজি চাল বিতরণ করা হচ্ছে ও চেয়ারম্যান রহিমের দলীয় কর্মী ও নিকটতম আত্মীয় স্বজন জেলে কার্ডধারীদের চাল বিতরণ করছে,এবং বাকি চাল যাচ্ছে চেয়ারম্যান মেম্বরদের পকেটে।সোমবার ও মঙ্গলবার (০৬-০৭জুন) সকালে কৈখালী ইউনিয়ন পরিষদের হল রুমে১ হাজার৫ পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করেন ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম ও ইউপি সদস্য ডাঃ আব্দুর রশিদ,মহিলা ইউপি সদস্য রাবেয়া কাদের।
নাম না জানানোর শর্তে জেলে সদস্যরা জানান, প্রজনন মৌসুমে মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধিতে গত শনিবার (২০ মে) মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
আগামী ৬৫ দিন নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন জেলেদের কেউ মাছ শিকার করলে তাদের জেল-জরিমানার সম্মুখীন হতে হবে বলেও জেলা মৎস্য বিভাগ থেকে সতর্ক করা হয়,কিন্তু কৈখালী ইউনিয়নে ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম ও ইউপি সদস্যরা সরকারি নিয়ম অমান্য করে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ৫০-৫১কেজি করে চাল বিতরণ করেন ।
কৈখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জিএম রেজাউল করিম জানান, কৈখালী জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়মের কথা শুনে আমি বিভিন্ন মহলে বিষয়টি জানিয়েছি,। উপকারভোগি জেলেদের কাছ থেকে চাল নিয়ে মেপে দেখি ৫০ থেকে ৫১ কেজি চাল রয়েছে। বিষয়টি সাথে সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসককে জানিয়েছি।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান জানান, সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলা হতে সমুদ্রগামী ১২৮৭৯ জন জেলেকে মানবিক সহায়তা কর্মসূচীর আওতায় ইতিমধ্যে
মাসিক ৪০ কেজি হারে ৪২ দিনের জন্য ১ম কিস্তিতে ৫৬ কেজি হারে মোট ৭২১.২২৪ মে. টন ভিজিএফ চাউল বরাদ্দ পাওয়া যায়। তবে কোন ইউনিয়নে চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ পেলে আইন গত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

