নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রদ্ধা ভালবাসায় শেষ বিদায় জানানো হলো যশোর প্রেসকাবের প্রবীন সদস্য এমএ মান্নান মিয়াকে। মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯ টার দিকে তিনি যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়াইন্না এলাহী রাজেউন)। বুধবার বেলা ১২ টায় তাঁকে প্রেসকাব চত্বরে আনা হয়। সেখানে তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান প্রেসকাবসহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক সংঘঠনের নেতৃবৃন্দ। বাদ জোহর পুলিশ লাইন মসজিদে জানাজা শেষে তাঁকে কারবালা কবর স্থানে দাফন করা হয়।

তাঁর নামাজে জানাজায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন, বিএনপি’র খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ ইসলাম অমিত, জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যকরি সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল আলম, প্রেসকাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন ও সাধারণ সম্পাদক এস এম তৌহিদুর রহমান, যশোর সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি কল্যাণ সম্পাদক একরাম উদ্দৌলা, সাধারণ সম্পাদক ও গ্রামের কাগজের সমআদক মবিনুল ইসলাম মবিন,লোক সমাজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আনোয়ারুল কবির নান্টু, সমাজের কথার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আমিনুর রহমান মামুন,প্রজন্ম একাত্তরের সম্পাদক ওহাবুজ্জামান ঝন্টু, স্পন্দনের নির্বাহী সম্পাদক মাহবুব আলম লাভলু,যশোরে সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মনতোষ বসু, সাবেক সভাপতি ফরাজী আহমেদ সাঈদ বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক এইচ আর তুহিন, সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সভাপতি এম আইউব, সাধারণ সম্পাদক আকরামুজ্জামান, ফটো জর্নালিস্ট অ্যসোসিয়েশনের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, সাধারণ সম্পাদক নুর ইমাম বাবুল,বিএফইউজে’র সদস্য শাবুদ্দিন আলম ও গোপী নাথ দাস, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিত কুমার নাথ, জেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সাবেরুল হক সাবু, চেম্বারের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি জানাজায় অংশ গ্রহণ করেন।

এমএ মান্নান বার্তা সংস্থা ইউএনবি ও ইনডিপেন্ডেট প্রত্রিকায় কর্মত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি ২ মেয়ে ও এক পুত্র সন্তান রেখে যান।

এমএ মান্নান ১৯৪২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তিনি খুলনা বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের চ-িপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। আব্দুল মান্নান রাষ্ট্র বিজ্ঞানে অনার্স ডিগ্রিধারী লাভ করে কর্মজীবনের শুরুতে শিকতা করেন। পরে সরকারি চাকরি করেন। এরপর তিনি সাংবাদিকতা শুরু করেন ১৯৮০ সালে। প্রথমে সাপ্তাহিক এখনই সময় পত্রিকায়, এরপর ১৯৮১ সালে খুলনার দৈনিক জন্মভূমি, ১৯৮২ সালে ঢাকার দৈনিক জনতা, ১৯৮৪ সালে ঢাকার ডেইলি মর্নিং সান, ১৯৯৩ সালে ইউএনবি এবং ১৯৯৫ সাল থেকে ডেইলি ইনডিপেন্ডেন্ট পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন।


