কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, যতো বাংলা ভাষাভাষী মানুষ আছে, সকলের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও সম্মানের জনপদ হচ্ছে মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মভূমি সাগরদাঁড়ি। সাগরদাঁড়িতে আরও বড় কিছু যেন করা যায় সে বিষয়ে আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করবো। তাহলে কবি, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিমনা মানুষ বেশি বেশি এখানে এসে তাঁর সম্পর্কে জেনে আরও সমৃদ্ধ হতে পারবেন।
কবির জন্মভূমিতে দীর্ঘদিন ধরে আসার যে ইচ্ছা ছিল, সেটি আজ পূরণ হয়েছে। মহাকবিকে নিয়ে জেলা প্রশাসনের এমন আয়োজনকে সাধুবাদ জানাই।
কেশবপুরের সাগরদাঁড়িতে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের দ্বিশত তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার সন্ধ্যায় মধুমেলার সমাপনী দিনে মধুমঞ্চে আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন, যশোর পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার গণি খান পলাশ, কেশবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. কুদরত-ই-হুদা । ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তুহিন হোসেন।
অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন, যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার সৈয়দা তামান্না হোরায়রা ও জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা সাধন কুমার দাস।
যশোর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ১৯ জানুয়ারী ৯দিব্যাপী মধুমেলার শনিবার শেষ দিনে হাজার হাজার মধুভক্ত সাগরদাঁড়িতে এসে ভিড় জমায়।
মধুমঞ্চে রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও যাত্রাপালা ‘মমতাময়ী মা’ মঞ্চস্থ হয়। এর মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে এবারের ৯ দিনের মধুমেলা।

