সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ভাই হত্যার বিচার চাইতে গিয়ে উল্টো মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হয়েছেন যুবক। ভুক্তভোগী যুবক উপজেলার বাদঘাটা গ্রামের মৃত আঃ মাজেদ দফাদারের ছেলে মোঃ সাইদুল ইসলাম(৩৭)।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) লিখিত বক্তব্যে তিনি সাংবাদিকদের জানান, বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তৎকালিন সংসদ সদস্য ও তার ভাই তৎকালিন নারী শিশু কোর্টের পিপির নির্দেশে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার যোগসাজসে ২০১৮ সালের ২৮ জুলাই রাতে আমার ভাই রেজাউল করিমকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ারের মিথ্যা নাটক সাজিয়ে হত্যা করা হয়।
৫ আগস্ট আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পরে একটি প্রেক্ষাপট তৈরী হওয়ায় তৎকালিন সংসদ সদস্য, তার ভাই তৎকালিন নারী শিশু কোর্টের পিপি ও তৎকালিন পুলিশ কর্মকর্তাসহ হত্যার সাথে জড়িত ৪৬ জনের নাম উল্লেখ করে গত ১৭ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করি। তবে ঐ মামলার ৩৩ নং আসামী আওয়ামীলীগ নেতা ফিরোজ আহম্মেদ এ্যাডভোকেট হওয়ায় সে বিভিন্ন লোকদের দিয়ে আমার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির চেষ্টা করছে।
ইতোমধ্যে সে শহরের সুলতানপুর এলাকার আহম্মাদ গাজীর ছেলে নজরুল ইসলাম ওরফে নাজমুল গাজীর মানব পাচার মামলার এ্যাডভোকেট হওয়ায় সে ওই মামলায় আমার নাম ঢুকিয়ে দিয়েছে। আমি বাদির কাছে জানতে চাইলে সে আমাকে চেনে না বলে জানায়।
তিনি আরো বলেন, আমি একজন ভাড়া মোটরসাইকেল চালক ভাই হত্যার বিচার চাইতে গিয়ে এই মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছি। আমি এই মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি চাই। আমার ভাইয়ের হত্যা মামলার বাকী আসামীরা যেন আমাকে হয়রানি করতে না পারে এবং আমার ভাই হত্যার সঠিক বিচার পাই।
এবিষয়ে এ্যাডভোকেট ফিরোজ আমাদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী জেলা পুলিশ সুপারের আশু হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।

