সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ৩নং সরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রকৃত ভূমিহীনদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পায়তারার প্রতিবাদ ও ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সরুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই।
রোববার বিকাল ৪টায় সরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানে কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশে কোন ভূমিহীন ও গৃহহীন থাকবে না। এরই ধারাবাহিকতায় তালা উপজেলার ৩নং সরুলিয়া ইউনিয়নের প্রকৃত ভূমিহীনরা ইউনিয়ন পরিষদে ভূমিহীন সনদ গ্রহণের জন্য আসলে সরকারি বিধি মোতাবেক তাদের সনদপত্র প্রদান করি।
সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে আমার ইউনিয়ন পরিষদের কেউ কোন প্রকার অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করেনি বা করেন না। গত ৫ মে আমার এবং ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারদের ভাবমূতি ক্ষুন্ন করতে চেয়ারম্যান পদে পরাজিত প্রার্থী আব্দুর রব পলাশ, ভূমিহীন নেতা আদিত্য মল্লিকসহ আনিছুর রহমান, সিরাজ সরদার, সেলিম সরদার, মশিউর রহমান সুমন ও মেহেদীসহ সরুলিয়া ইউনিয়নের শাকদাহ গ্রামের কিছু মানুষ নিয়ে মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে একটি মানববন্ধন করে। সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বলেন, সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকসহ সর্বস্তরের মানুষকে অবগত করতে চাই যারা ওই মানববন্ধনে অংশ নিয়েছেন, তাদের পিতা ও দাদারা ১৯৫৮ সালে সরকারের কাছে উক্ত ২২বিঘা জমি বিক্রয় করে। সরকার উক্ত স্থানে ইটভাটা নির্মাণ করেন, এরপর ভূমিদস্যুরা নিজেদের নামে কোন কাগজপত্র না করে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় তারা সকল কোর্টে হেরে যান। চেয়ারম্যান আব্দুল হাই বলেন, বিগত নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী আব্দুর রব পলাশ সব সময় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করেন। ভোটের ২-৩ দিন আগেও থেকে সে এবং তার লোকজন বিভিন্ন স্থানে অপপ্রচার করে যে, শেখ আব্দুল হাই মাস্টার টাকার বিনিময়ে নির্বাচন থেকে সরে গেছে। তারপরেও জনগণের বিপুল ভোটে আমি নির্বাচিত হই। নির্বাচিত হওয়ার পর পরাজিত প্রার্থী আব্দুর রব পলাশ আমাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায়। এরপর আবার মিথ্যা নির্বাচনী মামলা করেন। কাশিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আমার সাথে সভাপতি পদে পরাজিত হয়ে মিথ্যা মামলা ও মানববন্ধন করেন।

