সাতক্ষীরা:
অভিভাবকদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার ও শিক্ষার্থীকে বাধ্যতামূলক ছাড়পত্র প্রদানের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরার সিলভার জুবলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চায়না ব্যানার্জির বিরুদ্ধে।
গত ৫ মে রোববার সকাল ৯টায় সাতক্ষীরার সিলভার জুবলি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জেলা শিক্ষা কর্মকতার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন দুর্ব্যবহার শিকার শিক্ষার্থীর অভিভাবক।
এদিকে, প্রধান শিক্ষক চায়না ব্যানার্জির ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শহরের সুলতানপুর এলাকার অরবিন্দ কর্মকারের ছেলে বিশ্বজিৎ কর্মকার সাতক্ষীরার সিলভার জুবলি প্রাথমিক বিদ্যালয়েল দ্বিতীযয় শ্রেণির ছাত্র। সঠিক সময়ে ক্লাস না বসায় দ্বিতীয় শ্রেণির কিছু শিক্ষার্থী খেলাধুলারত অবস্থায় নিজেদের মধ্যে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এতে বিশ্বজিৎ কর্মকারের নাক দিয়ে রক্তক্ষরণ হয় তার অভিভবকরা বিদ্যালয়ে গিয়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় দেখতে পেয়ে বাড়িতে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এক পর্যায়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ বিশ্বজিৎ কর্মকারের অভিভাবকদের ফোন করে স্কুলে ডেকে আনেন এবং বাধ্যতামূলক ছাড়পত্র দেওয়ার কথা বলেন।
বিশ্বজিৎ কর্মকারের দাদু বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ সাংবাদিক কালিদাশ কর্মকার বলেন, আমার নাতি স্কুলের সহপাঠীদের হাতে মার খেল, রক্ত ঝরলো সেই ঘটনার বিচার না পেয়ে উল্টো আমার নাতিকে বাধ্যতামূলক ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষাবর্ষের মাঝামাঝি সময়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীর শিক্ষায় এই যে ক্ষতি হলো-এর দায়ভার কে নেবে?
তিনি অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের স্বৈরাচারি মনোভাব কেন থাকবে? দেশে কী কোন আইনকানন বলতে কিছু নেই। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেন।
সাতক্ষীরার সিলভার জুবলি প্রাথমিক শিক্ষক চায়না ব্ব্যানার্জির বক্তব্য নিতে তার ব্যবহাহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
সদর উপজেলা প্রথামিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল গণি বলেন, ঘটনার দিন খবর পেয়ে স্কুল পরিদর্শন করি। স্কুলের শিক্ষক আমাকে জানিয়েছেন বিশ্বজিৎ কর্মকারকে স্কুল পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাধ্যতামূলক ছাড়পত্র দেওয়া হবে
