বেনাপোল প্রতিনিধি:রেল লাইন বঞ্চীত জেলা সাতক্ষীরাসহ সুন্দরবনের সাথে দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করতে যশোরের নাভারণ থেকে রেল যোগাযোগ সাতক্ষীরা পর্যন্ত ৯৯কিলোমিটার রেলপথ নির্মান থমকে গেছে। দীর্ঘ ৫বছরেও শুরু হয়নি কাজ।ফলে ক্ষোভ বাড়ছে এলাকার মানুষের। দ্রুত রেল লাইন নির্মানের দাবী জানান স্থাণীয়রা
সাতক্ষীরা জেলার প্রায়২২লাখ মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম সড়কপথ।সুন্দরবন, চিংড়ি সম্পদ,মধুআহরন,আমদানি-রফতানিতে(ভোমরা স্থলবন্দর)বাণিজ্য অর্থনৈতিক ভাবে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।ফলে সড়ক পথটি ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।বর্তমান সরকার বেনাপোলও ভোমরা স্থলবন্দরসহ সাতক্ষীরার উন্নয়নের কথা চিন্তা করে যশোরের শার্শার নাভারণ থেকে শ্রামনগর-মুন্সীগঞ্জ পর্যন্ত ২০২৪সালের মধ্যে-রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে। ১হাজার৬৬২কোটি টাকা প্রকল্পের পরিকল্পনা গ্রহন করেছে সরকার। ফলে সুন্দর বনের পর্যাটন শিল্পে সাথে সৃষ্টি হবে নব দ্বিগন্তের। ভোমরাও বেনাপোল শুল্কষ্টেশন দিয়ে বাড়বে বানিজ্য।উদ্ভিদ ও প্রাণী বৈচিত্রের কথা ভেবেই সুন্দরবনের ১০কিলোমিটার দূরত্বের আগেই ট্রেন স্টেশন শেষ হবে। নাভারণ থেকে মুন্সীগঞ্জ পর্যন্ত থাকবে ৮টি স্টেশন। এগুলো হলো, নাভারণ, বাগআচড়া, কলারোয়া, সাতক্ষীরা, পারুলিয়া, কালীগঞ্জ, শ্যামনগর ওমুন্সীগঞ্জ।একই সাথে রেল পথের সেতু নির্মিত হবে বাঁকাল,লাবণ্যবতী,সাপমারা খাল ও কাকশিয়ালী নদীর ওপর। ফলে বাঁচবে সময়ও খরচ-সহজ হবে যোগাযোগ-সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থানের কমবে বেকারত্ব-খুশি হবে যাত্রীরা সরকারের উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানান স্থাণীয় জনপ্রতিনিধি সহ সর্বসাধারন। স্থানীয় নারী শিক্ষার্থী ও কর্মজীবি মানুষেরা জানান
নতুন রেল লাইনও ট্রেন চললে ষ্টেশনগুলোতে বসবে দোকান বাড়বে কর্মাসংস্থান-ঘুচবে বেক্রাত্ব-সৃষ্টি হবে নতুনত্ব-এমনটি আশায় বুক বেধে আছেন সাতক্ষিরা ও যশোর জেলার নাগরিকেরা
রেল ষ্টেশন মাষ্টার-সাইদুজামান সহিদ বলেন প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার।ডোনার খোজা হচ্ছে। অচিরেই কাজ শুরুর আশা রেল সংশ্লিষ্টদের।
নতুন রেলপথ হলে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে,এলাকাগুলো হবে অর্থনৈতিক ভাবে শক্তিশালী নতুন গতি পাবে যশোর সাতক্ষিরা-বিকাশ ঘটবে পর্যাটন শিল্পের এমনটি আশা এলাকাবাসির।
