শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ নিতে চায় কমিশন

আরো খবর

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ নিতে চায় কমিশন। রোববার নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের (ইউএনও) প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সিইসি বলেন, ‘আমরা আগামীতে যে নির্বাচন করতে যাব, সেখানে যেন আস্থার সংকট না থাকে। আমরা যারা নির্বাচন পরিচালনা করব, নির্বাচন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে আপনারা যারা আছেন, আরপিও অনুযায়ী দায়িত্বটা ভালোভাবে নেবেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন।’

নির্বাচনী দায়িত্বটা কঠোরভাবে পালন করতে হবে জানিয়ে সিইসি বলেন, ইসি থেকেও নির্বাচনী কার্যক্রম কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। জানার চেষ্টা করা হবে কে কোথায় কী দায়িত্ব পালন করছেন।

পোলিং এজেন্টদের বিষয়ে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ আছে। অনেকে আবার না দিয়েও অভিযোগ করেন। কাজেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে প্রতিটি দল থেকে এজেন্টে দিয়েছেন কি না। এজেন্ট শক্তিশালী হলে কারচুপি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে।

সিইসি বলেন, ‘২০১৪ এবং ২০১৮ সালের চাপটা এসে আমাদের ওপর পড়েছে। কাজেই আমরা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছি। তবে এগুলো সত্য হতে পারে। আবার মিথ্যাও হতে পারে, সেদিকে যাচ্ছি না। ক্রেডিবল বলে একটা শব্দ আছে। সব দেশের আইনেই আছে এটা। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও বলা হয় নির্বাচনটা ক্রেডিবল হতে হবে। ক্রেডিবল তখনই হবে, যখন আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে স্বচ্ছতা আনতে পারি।’

জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে জানিয়ে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কিন্তু উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে নির্বাচন পরিচালনা হবে। নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য, শান্তিপূর্ণ হতে হবে। তা না হলে দায়িত্ব আপনাদের ওপর বর্তাবে। পুলিশ প্রশাসনের সহায়তা নেবেন এবং জনগণকেও উদ্বুদ্ধ করবেন, তারা যেন এসে ভোট দিয়ে যায়।’

কর্মশালায় ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম, অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ কে এম হুমায়ূন কবীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ