এম এ রহিম-বেনাপোল,সীমান্ত বাংলাদেশ:-স্বপ্নেরœ পদ্মা সেতু চালুর পরই পাল্টে যাবে বেনাপোল স্থলবন্দরের চিত্র। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বাড়বে আমদানি রফতানি সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থান-কমবে ভাড়া বাঁচবে সময় ও অর্থ। দেশের দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চচলের ২১টি জেলার সাথে যোগ হবে নতুন যোগসুত্র। সৃষ্টি হবে নব দ্বিগন্তের। কোটি কোটি মানুষের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাও আতœমর্যাদার সেতুৃটি ঘটাবে কর্ম সংস্থান বাড়বে আমদানি রফতানি বানিজ্য,সফলতা আসবে ইন্ড্রাস্ট্রিতে। বন্ধু প্রতিম রাষ্ট্র ভারতের কলিকাতার সাথে কমবে দুরত্ব প্রসার ঘটনে বানিজ্য ও ভ্রমন। কমবে পরিবহন ভাড়া উপকৃত হবে যাত্রী-বাঁচবে সময় ও অর্থ আশায় বুক বাধছেন বন্দর ব্যাবহারকারী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চচলের কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপেরœ নাম পদ্মা সেতু। দেশ ও জাতির ভাগ্র পরিবর্তনের সময় উপযোগি পদক্ষেপ। ২৫জুন২০২২দেশের জন্য নতুন মাইলফলক ও ইতিহাস। স্বপ্নই ধরাদিল বাস্তবে। এর ফলে বেনাপোল ও মংলা এবং পায়রা বন্দরের চিত্র পাল্টে দিবে এসেতুৃটি। উন্নয়ন অগ্রযাত্রাও আতœমর্যাদার প্রতিক সেটুটি দেশ বিদেশে প্রসংশিত হচ্ছে। যোগাযোগ ব্যাবসা ভ্রমন ও আতœসামাজিক উন্নয়নে মাইল ফলক হবে পদ্মাসেতু। ঘটবে কর্ম সংস্থান বাড়বে আমদানি রফতানি বানিজ্য,সফলতা আসবে দেশের বিভিন্ন ইন্ড্রাস্ট্রিতে। স্বপ্নের পদ্ম সেতুকে ঘিরে আশায় বুক বাধছেন বন্দর ব্যাবহারকারী সহ সীমান্ত এলাকার মানুষেরাও। কমবে পরিবহন ভাড়া উপকৃত হবে যাত্রী-বাঁচবে সময় ও অর্থ-
বেনাপোলের শ্যামলি এরআর পরিবহন ম্যানেজার বাবু ও সেক্টর এবং যাত্রী মনির হোসেন বলেন ফেরীঘাটের যানজটে নাভিশ^াস ছিল যাত্রী ও পরিবহন ব্যাবসায়িদের। সকালের পরিবহন আসতো রাতে। রাতের পরিবহন আসতো দিনে। এতে করে যাত্রী দৃুর্ভোগ বাড়তো সময় মতো পৌছাতে পরত না যাত্রীরা। রোগী ব্যাবসায়ি চাকুরীজীবি ও শিক্ষার্থীরা পড়তো বিপাকে। সময় ও অর্থ খরচ বাড়ত। সেতুটি চালুহলে উপকৃত হবেন তারা।
বন্দর ব্যাবহারকারী বকুল মাহবুব ও সাজেদুর রহমান বলেন,পন্যবাহি ট্রাকে ঘাপটে যেয়ে দিনের পার দিন আটকে থাকত। নষ্ট হতো কাচা পন্যের মান। সময়মতো ইন্ড্রাষ্টিতে পন্য পৌছাতে দেরী হওয়ায় বাড়ত ডেমারেজ । চরম দুর্ভোগে পড়তে হতো ট্রাক চালকদের। ঘাটে কষ্টে দিনরাত কাটতো তাদের।
ট্রাক চালক আরমান হোসেন ও ফজলুর রহমান বলেন-ঢাকা চিটাগাংয়ে আমদানি রফতানিকৃত মালামাল পরিবহনে বাজনার থেকে খাজনা লাগত বেশী। পথে ও ফেরীতে হয়রানি ও দুর্ভোগ পোহাতে হতো। গুনতে হতো অতিরিক্ত অর্থ। এখন পদ্মা সেতু চালু হলে ৫থেকে ১০ঘন্টার মধ্যে যাতায়াত করা যাবে ঢাকা ও চিটাগাংয়ে। ফলে ব্যাবসায়ি ও ট্রাক মালিক ও শ্রমিকেরা হবে লাভবান। কমবে কষ্ট ও দুর্ভোগ। ঢাকায় দিনে ট্রাক প্রেেবশ বিধিনিষেধ থাকায় ফেরীর কারনে জটে আটকে রাতের ট্রাক ঢুকতে পারতোনা দিনে। ফলে অপেক্ষার পালা কষ্ট বাড়াতো। এখন দিনে যেয়ে দিনেই ফিরে আসতে পারবেন তারা। ফলে পরিবহন ভাড়াও যাবে কমে। সরকারকে ধন্যবাদ জানান তারা।
বাংলাদেশ ভারত -চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মতিয়ার রহমান বলেন,বাংলাদেশের ঐতিহাসিক পেক্ষাপট পদ্মাসেতু চালু হলে পাল্টে যাবে দেশ ও দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জীবন যাত্রার মান। ভারতের সাথে বাড়বে ভ্রমন ও বানিজ্য। বিভিন্ন কোম্পানী আসবে দেশে। বাড়বে ট্রানজেকশন। পদ্মার দু পারে নতুন নতুন শিল্প প্রতিষ্টায় বাড়বে কর্মসংস্থান। অর্জিত হবে বৈদেশিক মুদ্রাও। চিটাগাং ও মঙলা বন্দরে আসা পন্যের চাপও কমবে। অধিকাংশ পন্য বেনাপোল স্থলপথে আমদানি রফতানির সৃুয্গো সৃষ্টি হবে। তবে এসময়ে বেনাপোল বন্দর এলাকায় জায়গা সম্প্রসারন ও ইকুপমেন্টসহ জনবল বৃদ্ধির প্রয়োজন। এদিকে যশোর থেকে নড়াইল কালনা ব্রীজ হয়ে ঢাকায় যেতে সময় কমবে আরো এক থেকে দেড়ঘন্টা। নির্মানাধীন ব্রীজটিও রয়েছে চালুর অপেক্ষায়। সূদুর প্রসারী পরিকল্পনা ও দেশের অর্থায়নে ব্রীজ নির্মানে প্রধান মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট দফতরকে ধন্যবাদ জানান তিনি। বানিজ্যে বদরে যাবে জীবন জিবিকার চাকা। উপকৃত হবে দেশ ও জাতি। –
বেনাপোল স্থলবন্দর উপ পরিচালক আব্দুল জলিল জানান,বহুল প্রতিক্ষীত পদ্মাসেতু চালু হলে-বন্দরে বাড়বে আমদানি রফতানি,সময় হবে শাশ্রয় দেশে ঘটবে শিল্পায়ন,পন্য পরিবহনে সময় ও অর্থ হবে শাশ্রয়। বেনাপোল স্থলবন্দরে পাল্টে যাবে দৃষ্যপট। কমবে পন্যও যানজট। সম্প্রসারিত হবে বানিজ্য। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নব দ্বিগন্তের সৃষ্টি হবে। বিশে^র অন্যদেশও বাংলাদেশে বানিজ্যে আগ্রহ বাড়বে। সরকারের সব পরিকল্পনা ও বানিজ্যে প্রতিপালনে আন্তরিক বলে জানান তিনি।##

