নিজস্ব প্রতিবেদক:
রোববার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে দেশ ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজু আহমেদ বলেছেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে মিথ্যা অভিযোগ ও ভিত্তিহীন কাহিনী প্রচার করে ক্লিনিকের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য দেশের স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য স্বল্প খরচে উন্নত চিকিৎসা সেবা বন্ধ করা।
যশোরে অবস্থিত দেশ ক্লিনিক দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের জন্য সুলভমূল্যে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছে। যা তাদের গলার কাটা হয়ে দাড়িয়েছে।
রাজু আহমেদ বলেন, কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বারবার আমার ক্লিনিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া যায়নি, অথচ ষড়যন্ত্রকারীরা ক্লিনিকের মানহানি করতে নতুন নতুন ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
তিনি আরও জানান যে, সম্প্রতি এক গর্ভবতী রোগীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তি মিথ্যা অভিযোগ ও ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করেছেন এবং মামলাটি বর্তমানে সিআইডি তদন্ত করছে। অথচ ঐ রোগীর মৃত্যু হয়েছে খুলনা সিটি হাসপাতালে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে ঐ কুচক্রি মহল আমার প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
রাজু আহমেদ বলেন, রোগীর স্বজনরা চিকিৎসা পরবর্তী যতেœর চিকিৎসকের নির্দেশনা সঠিকভাবে পালন করেননি এবং স্বজনরা নিজ উদ্যোগে রোগীকে খুলনার সিটি হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। যেখানে প্রসূতী রোগীর সমস্যা সংক্রান্ত চিকিৎসা না দিয়ে কিডনি ডায়ালাইসিস করেন প্রতিষ্ঠানটি।
যার ফলে পরবর্তীতে রোগীর অবস্থা খারাপ হয় এবং তার মৃত্যু ঘটে। অথচ ঐ সিটি হসপিটাল কিডনি ডায়ালাইসিস প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিচিত। কিন্তু স্বজনরা না বুঝে প্রসূতী রোগীকে ঐ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করেন। যার ফলে অপচিকিৎসা তাজরিন সুলতানার রুকুর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার মিথ্যা বিবরণ দিয়ে ঐ কুচক্রি মহল আমার ক্লিনিকের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, মৃত রোগীর স্বজনরা মামলার বাদীকে দিয়ে ক্লিনিকের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্লিনিক বন্ধসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করেন।
সাংবাদিকদের মাধ্যমে রাজু আহমেদ প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং দুষ্কৃতকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন আনোয়ার জাহিদ তাজ, সোহাগ প্রমুখ।

