শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

হরি-ঘ্যাঁংরাইল অববাহিকার জলাবদ্ধতা নিরসন বিষয়ে উপদেষ্টার বরাবর আবেদন

আরো খবর

কেশবপুর (যশোর)প্রতিনিধি: চলতি বোরো মৌসুমের পূর্বেই বিলের পানি নিস্কাশন না করে হরি-আপার ভদ্রা নদীতে ক্রস বাঁধ দেওয়ার ঘটনায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার নিকট এলাকাবাসির পক্ষে আবেদন করেছেন হরি-ঘ্যাঁংরাইল অববাহিকার জলাবদ্ধতা নিরসন কমিটির সভাপতি ও সাবেক বাপাউবো’র সদস্য মহির উদ্দিন বিশ্বাস।

 

আবেদন সূত্রে জানা গেছে, হরি-ঘ্যাঁংরাইল অববাহিকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ৮১.৫ কিলোমিটার নদী খনন প্রকল্পের জন্য গত ২০,১১,২৫ তারিখ সেনাবাহিনী কর্তৃক ক্রসবাধঁ দিয়ে নদী খনন কাজ শুরু হবে জানতে পেরে আমরা বিস্মীত।৷ হরি- আপার ভদ্রা অববাহিকায় চলতি বোরো (ইরি) মৌসুমে ৭টি উপজেলা কেশবপুর, মনিরামপুর, যশোর সদর,অভয়নগর, ফুলতলা, ডুমুরিয়া, তালা প্রায় ৭০ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ ও পানি নিস্কাশনের মাধ্যমে ২৫০০ হাজার কোটি টাকার বেশি ও ৫০০ কোটি টাকার উর্দ্ধে গো খাদ্য বিচলি সহ মোট ৩০০০ কোটি টাকার খাদ্য ও গো-খাদ্য উৎপাদন হয়। কিন্তু উপরোক্ত তারিখে ক্রস বাঁধ দিলে অত্র এলাকায় গো-খাদ্য উৎপাদন সম্ভব হবে না।

 

 

ঘের মালিকের সাথে কৃষক বা জমির মালিকদের চুক্তি অনুযায়ী এ অঞ্চলে বোরো মৌসুমে চাষাবাদ শুরু হয় প্রতি ডিসেম্বরের ১৫ তারিখ থেকে জানুয়ারির ৩১তারিখ পর্যন্ত। কৃষকদের খাদ্য ও গো খাদ্য উৎপাদনের স্বার্থে আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে হরি- আপার ভদ্রা নদীতে ক্রস বাঁধ দিয়ে নদী খনন করার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা হয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ