নিজস্ব প্রতিবেদক
বীরের কণ্ঠে বীরগাঁথা সংরক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজ্জাম্মেল হক। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা কোথায় কিভাবে এবং কার কথায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন তা সংরক্ষণ করতে আগামী দুই মাসের মধ্যে কাজ শুরু করা হবে। আজ সোমবার সন্ধ্যায় যশোর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলনের সভাপতিত্বে সমাবেশে তিনি আরো বলেন, তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ১৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধাকে আগামী এক বছরের মধ্যে একটি করে ঘর উপহার দেয়া হবে। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করা হয়েছে। এছাড়া যুদ্ধক্ষেত্র ও বধ্যভূমিও সংরক্ষণ করা হবে বলে জানান তিনি।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে বিজয়ের পথে পথে শিরোনামে আয়োজিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন ¯’ানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টচার্য, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়া।
বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দ্দার, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার রাজেক আহমেদ, একেএম খয়রাত হোসেন, আলী হোসেন মনি, মুজিব বাহিনীর উপ-প্রধান রবিউল আলম ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনির“ল ইসলাম মনির।
এর আগে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.খ.ম মোজ্জাম্মেল হক ¯’ানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টচার্য ও ¯’ানীয় সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদকে সাথে নিয়ে যশোর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের ভবন ও শহীদ কর্ণেল নাজমুল হুদার (বীর বিক্রম) সড়ক উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপ¯ি’ত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, জেলা প্রশাসক তজিমুল ইসলাম খান, পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দ্দার, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান মিন্টু, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুলসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ#

