বেনাপোল প্রতিনিধি:
ভারতের স্থানীয় বাজারে প্রতি খাচি ৩০টি ডিম বিক্রি হয়১৭০থেকে১৯০ টাকা। যা প্রতিটি ডিমের দাম পড়ে সাড়ে ৬ থেকে ৭টাকা। এসময়ে বাংলাদেশে আসছে ৭টকা দরে ডিমের চালান।
তবে দেশের বিভিন্ন বাজারে ডিম বিক্রি হচ্ছে দ্বিগুনের ও বেশী দামে। ফলে নিন্ম ও স্বল্প আয়ের মানুষের নাভিশ্বাস বাড়ছে।
দেশে ডিমের বাজারে হু হু করে বাড়ছে দাম। মূল্যবদ্ধি রােধ বিদেশ থেকে আমদানি করা হচ্ছে ডিম। প্রায় সাড়ে ৪কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দফতর। বিভিন্ন শুল্ক ষ্টেশন দিয়ে আমদানি করা হচ্ছে ডিম।এরই মধ্যে চলতি সপ্তাহে ২টি চালানে বেনাপােল পেট্টাপোল স্থলবন্দর দিয় ভারত থেকে প্রায় ৪লাখ ৬৪হাজার পিস মুরগির ডিম আমদানি করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বন্দর সহকারি পরিচালক কাজি রতন।। এর ফল বাজারে কিছুটা কমতে শুরু করেছে ডিমের দাম।
৩০টার প্রতি খাচিতে কমেছে ৫ থেকে৭টাকা। ডিমের আমদানি বাড়লে দাম আরাে কমার আশা করেন ব্যাবসায়িরা।
বেনাপােল বন্দর সহকারি পরিচালক কাজি রতন জানান,রবিবার ও মঙ্গলবার ২টি চালানে ৩০মে:টন বা ৩০হাজার ৬শ৯০কজি ডিম আমদানি হয়েছে। ২২শ৮ প্যাকজে প্রায় ৪লাখ৬৪ হাজার পিস ডিম এসেছে বন্দরে। যার ইনভয়েজ মূল্য প্রায় ৪২হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদশি টাকায় প্রতিটি ডিমর মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৫ টাকা ৭০ পয়সা। ভ্যাটসহ আমদানি মূল্য প্রায় সাড় ৭ টাকা। পরীক্ষণ শেষে বুধবার ডিমগুলাে খালাস দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ব্যাবসায়িরা জানান,খুচরা বাজারে বিভিন্ন সাইজের লাল ও সাদা প্রতিটা ডিম সাড়ে১৩টাকা থেকে ১৫টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে ডিমের সরবরাহ কম থাকায় বাড়ছে দাম। আমদানি এবং উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়লে কমবে ডিমের দাম। স্বল্প ও নিন্ম আয়ের মানুষেরা চান ডিমর দাম কমানা দাবী জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।
গত বছর ৫ নভেম্বর প্রথম চালানে ৬১ হাজার ৯৫০ পিস ডিম আসে বন্দরে।
কাষ্টমস সংশ্লিষ্টরা জানান প্রতি ডজন ডিমের নির্ধারিত মূল্যের ওপর ৩৩ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি বাবদ এক টাকা ৮৩ পয়সা যাগ হব। সব মিলিয় প্রতিটি ডিমের আমদানি মূল্য দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ৭ টাকার মতাে। এর পর গােডাউন রেট, এলসি খরচ, ট্রাক ভাড়া যােগ হব।
সব মিলিয়ে প্রতিটি ডিমের খরচ পড়ে সাড়ে ৮ টাকা।
রবািার ঢাকার হাইড্রা ল্যান্ড সলুশান নামর একটি প্রতিষ্ঠান এই চালান দুই লাখ ৩১ হাজার ৮৪০ পিস ডিম আমদানি করে। এই ডিম রফতানি করছে ভারতর শ্রীলী এটারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
বেনাপােল প্রাণি সম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তা ডাক্তার বিনয় কষ্ণ মন্ডল জানান. ডিমের পরীক্ষণের ব্যাবস্থা না থাকায় ভারতীয় সার্টিফিকেটের ওপর ভিত্তি করে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। দৃশ্যমান কােনও সমস্যা থাকলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয় বলে জানান তিনি।
বেনাপাল কাস্টমস হাউসের উপ-কমিশনার ওথেলা চোধুরী বলেন, ডিমের আমদানির ওপর ৩৩ শতাংশ কাস্টমসর ভ্যাট-ট্যাক্স নিয়ে আনুষ্ঠানিকতা ও পরীক্ষণের পর দেওয়া হয় খালাস ।

