কেশবপুর (যশোর) থেকে ॥
যশোর-৬ কেশবপুর সংসদীয় আসনে সংসদ সদস্য ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার বলেছেন, ৭ মার্চে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বজ্রকণ্ঠের সেই ভাষণ ছিল বাঙালি জাতির মুক্তির মূল মন্ত্র। নিরস্ত্র জাতিকে স্বাধীনতার জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিতে উৎসাহ দিয়েছিল বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী এই ভাষণ। এতে ছিল স্বাধীনতার জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতির পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা। সে ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাঙালি জাতি ছিনিয়ে এনেছিল বহু আকাঙ্খিত স্বাধীনতা। পরাধীন জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে সেই জ্বালাময়ী বক্তৃতা। বঙ্গবন্ধুর মতো এমন আবেদনময় ও সুনিপুণ দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। সব বয়সী মানুষকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিল ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ।
তিনি আরো বলেন, ইউনেস্কো এই ভাষণকে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার এ অন্তর্ভুক্ত করে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এখন আর শুধু বাঙালির কাছে নয়। এই ভাষণ সারা পৃথিবীর কাছেই একটি মূল্যবান ও ঐতিহ্যপূর্ণ সম্পদে পরিণত হয়েছে।
৭ মার্চ সন্ধ্যায় কেশবপুর পৌর আওয়ামী লীগের আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চন্দ্র সাহার পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমিন, যশোর শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান বিপু ও কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. হুসাইন মোহাম্মদ ইসলাম, সুফলাকাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মাষ্টার আব্দুস সামাদ, পাঁজিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক বি এম শহিদুজ্জামান শহিদ, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক রেবা ভৌমিক, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রাবেয়া ইকবাল, উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি মিনু রানী হালদার, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক আবুল বাসার খান, পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রমজান আলী, উপজেলা ছাত্রলীগনেতা হাবিবুর রহমান খান মুকুল, পৌর ছাত্রলীগনেতা সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
