শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

খড়কি পীর বাড়িতে হামলা

আরো খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক:বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত খড়কি পীর বাড়িতে যশোর পৌরসভার কাউন্সিলার রাজিবুল আলমের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। বুধবার(১২এপ্রিল)সকল ১০টার দিকে খড়কি পীর বাড়ি এএফএম হাসান মিনুর বাড়ির পাচিল বুলডোজার দিয়ে ভেঙে বাড়িতে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা।
জানা যায়, যশোর খড়কি এলাকার রেলওয়ের কাছ থেকে লীসকৃত ৪৪ শতক জমি শত বছর আগে নেওয়া হয়। এ এফ এম হাসান মিনু জমি লীজ হিসেবে বছরে ৩ হাজার ১শ’৬৮ টাকা খাজনা দেয় রেল কতৃপক্ষকে। কিন্তু কোন কিছু না জানিয়ে পৌরসভার কাউন্সিলার রাজিবুল আলম লোকজন নিয়ে বাড়িতে আক্রমণ ও বাড়ির পাচিল বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেন।
এ এফ এম হাসান মিনু বলেন, পৌরসভার নামধারী কিছু লোক এসে আমার স্ত্রীকে বলে ভাই কই। তারপর সে যখন আমার ডাকতে আসে তখন বুলডোজার দিয়ে  পাচিল ভাঙা শুরু করে। রেলওয়র কাছ থেকে ৪৪ শতক জমি কৃষি জমি হিসেবে লিস নেওয়া।  ১৯৯৪ সাল থেকে ২০২৩ পর্যন্ত আমাদের সকল কাগজপত্র আছে। রেলওয়ে যদি জমি নিতে চায় তাহলে নোটিশ দেবে কিন্ত পৌর কতৃপক্ষ রেলওয়য়ে থেকে কোনো নোটিশ না দিয়ে কাউন্সিলর রাজিবুলের নেতৃত্ব এভাবে আমার পাচিল ভেঙে দিয়ে বাড়িতে হামলা চালান। রেলওয়ে যদি কোনো কাজ করতে চায় তাহলে আমাদের কোনো আপত্তি নেয়। কিন্তু সেটা তো জানিয়ে করতে হবে। কিছু না জানিয়ে; কিভাবে আমার বাড়িতে লোকজন নিয়ে এসে আমার বাড়িতে হামলা চালাতে পারে কাউন্সিলার।
এ এফ এম হাসান মিনু আরও বলেন, এই বাড়িতে বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমান বহুবার এসেছেন। এখান থেকে বিভিন্ন মিছিল ও মিটিং করেছেন। কিন্তু আজ সেই বাড়িতে হামলা চালানো হলো। এটা মেনে নেওয়ার মতো না।
জানতে চাইলে যশোর পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রাজিবুল আলম বলেন, গত এক মাস আগে পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার এবং সার্ভেয়ারের সাথে বসে মৌখিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এলাকার পানি নিষ্কাশন করার জন্য পৌরসভার ড্রেন করতে কাজ শুরু করা হয়। কিন্তু তাদের বাধার কারণে আজ কাজ বন্ধ করতে হয়েছে। আমরা এই ড্রেন করতে আবারও আসবো পৌরসভার নোটিশ নিয়ে।
রেলওয়ের আমিন আব্দুল মতিন সরেজমিনে যায়। তখন তিনি এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, রেলওয়ের জায়গায় পৌরসভা যদি ড্রেন করতে চাইলে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে ড্রেন করতে হবে। কিন্তু এসব কিছুই করেন নি পৌরকতৃপক্ষ।
বক্তব্যে নেওয়া জন্য পৌরসভার মেয়র হায়দার গণি খান পলাশ এবং প্যানেল মেয়র মোকসেদুল বারী অপুকে ফোন দেওয়া হলে তারা ফোন রিসিভ করেন নি।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ