নিজস্ব প্রতিবেদক: :যশোর-বেনাপোল সড়কে ও বারবাজারে মাত্র ৩ ঘন্টার ব্যবধানে ট্রাক-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সড়কে ঝরে গেল ৩ জনের প্রাণ। ট্রাকের কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হলেও দুটি মোটরসাইকেল ভেঙে-দুমড়ে মুচড়ে গেছে। নিহতদের লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে ঘাতক ট্রাক দুটির একটি পালিয়ে গেছে।
শনিবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে যশোর-বেনাপোল সড়কের নবীনগরে ট্রাকের সাথে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন শ্যালক-দুলাভাই। ঘটনাস্থলে নিহত হন বেনাপোলের নারায়নপুর গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে নিলয় হোসেন (২৫)। অপরজনের নাম বাবু। প্রাথমিকভাবে বাবুর বাড়ির ঠিকানা জানা যায়নি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, নাভারণ হাইওয়ে ও ঝিকরগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যান।
নাভারণ হাইওয়ে থানা পুলিশের ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান ,মোল্যা ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নিয়ে ট্রাকটি সড়কে উঠছিল। এ সময় বেনাপোল থেকে যশোরগামী একটি মোটরসাইলে এসে ট্রাকের সাথে ধাক্কা খায়। এ সময় মোটরসাইকেলটি ছিটকে পাশেই শতবর্ষী একটি গাছের সাথে লাগে। খবর পেয়ে ছুটে আসে ফায়ার সার্ভিসের এ্যাম্বুলেন্স। স্থানীয়রাও ছুটে এসে দেখতে পান নিলয় নামে এক যুবক মারা গেছেন। অপরজন বাবুকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয় কিন্তু চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতরা সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অপরদিকে, একইদিন শনিবার (১৫ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে বারবাজার হাইওয়ে থানার সামনে ট্রাক চাপায় নিরোলাক পেইন্টের এক কর্মচারী হামিদুল (২৮) নামে এক যুবক নিহত হন। তিনিও মোটরসাইকেল যশোরের দিকে আসছিলেন। এ সময় সোহেল নামে আরও এক কর্মচারী গুরুতর আহত হন।
বারবাজার হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মঞ্জরুল হক জানান, হতাহতরা কালীগঞ্জ থেকে যশোরের দিক যাচ্ছিলেন। বারবাজার হাইওয়ে থানার সামনে যশোরের দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। ট্রাক নম্বর ঢাকা মেট্রো ড-১৪-৬০৩২। ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে।#

