মণিরামপুর প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুর উপজেলাধীন ব্যাবসা সফল অঞ্চল বৃহত্তর রাজগঞ্জ বাজার। আর এই বৃহত্তর বাজার থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাঁচা তরকারি, যশোরের জস রস ও গুড়, পান,গরু, ছাগল সহ সকল প্রকার পন্য ক্রয় বিক্রয়ের জন্য পর্যাপ্ত সরকারি জমি নাই। যে কারনে।
দীর্ঘ তিন বছর ধরে রাজগঞ্জ গরুহাট বাজরটি মোবাররপুর কীর্তিবাস মোড় সংলগ্ন আবুল কালাম সহ কিছু ব্যক্তি মালিকানা জমি আলোচনা সাপেক্ষ তিন বছর লিচ নিয়ে গরু ছাগল ক্রয় বিক্রয় করে আসছিলো হাট ইজারাদার ইমরান খাঁন পান্না।সম্প্রতি গত ১৫ এপ্রিল তিন বছর মেয়াদী চুক্তি শেষ হলে আবুল কালাম নিজের ২৪ শতক জমি পিলার ও তারকাটা বেড়া দিয়ে ঘিরে চাষ উপযোগী করে তুলতে ১৬ এপ্রিল সকালে জমিটির সিমানা দিয়ে দেন।এসময় হাট ইজারাদার পান্নার নেতৃত্বে হাবিবুর, খোকা দলবদ্ধ হয়ে আবুল কালামের ২৪ শতক জমি দখলের চেষ্টা করে এবং সিমানা পিলার ও তারকাটা বেড়া ভাংচুর করে ভ্যানযোগে জমি সিমানা থেকে সরিয়ে ফেলেন।
ভুক্তভোগী কালাম বলেন,জমির মালিক হয়েও কোন লাভ নাই ক্ষমতার দাপটে তারা যেটা করবে সেটাই সঠিক। তবে এভাবে কারো জমি দখল করে হাট বাজার বসানো উচিত না।আমি এর একটা সুষ্ঠ বিচার দাবী করি।
কর্মরত শ্রমিক রেজাউল ইসলাম বলেন, জমিটি সিমানা ঘেরা শেষ পর্যায়ে পান্না সহ অনেকে এখানে আসে এবং পান্না লোহার শাবল দিয়ে পিলারে ভাঙ্গতে শুরু করে বাকিদের ভাঙ্গতে নির্দেশ দেন ও বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিতে থাকে।
এবিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ সরদার জানান,একটা উকিল নোটিশ হাতে পেয়েছি অনেক আগে কিন্তু সেটা ভুয়া উড়ো চিঠি।

