মনিরুজ্জামান:যশোরের কেশবপুর উপজেলার ভালুকঘর গ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় বিল্লাল হোসেন বুল্লা নামে এক যুবক গুরুতর যখম হয়েছে। শনিবার সকালে তার বাড়িতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের চিকিৎসাধীন আছেন। তার উপর হামলার ভয়াবহ দৃশ্য দেখে অনেকে বলেছেন ঈদের দিনে এ কেমন বর্বতা। হামলায় বিল্লাল হোসেন বুল্লা উপর হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা যায় ফ্লিমি ষ্টাইলে তাকে মার ধর করা হচ্ছে।
তার স্ত্রী আমেনা বেগম জানান, ঈদের দিন সকালে ছাগলে সেমাই নষ্ট করা নিয়ে ছোটভাই বাবু ও টিপুর সাথে হাবিবুরের বচসা হয়। এসময় সেখানে উপস্থিত হয় এলাকার চিহ্নত দুই অপরাধী। তাদের মদদে হাবিবুর রহমানের উপর হামলা এবং তার রান্নাঘর ভাংচুর এবং হাড়িপাতিল ছুড়ে ফেলে দেয়। এসময় তারা তাকেও (আমেনা বেগম) লাঞ্চিত করে।
তিনি জানান, তাদের হামলায় তার স্বামী অজ্ঞান হয়ে পড়ে এবং নাক-মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হতে থাকে।গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবার সময় তারা গতিরোধ করে আবারও হামলা এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। এসময় এলাকার লোকজনের উপস্থিতিতে তারা চলে গেলে হাবিবুরকে কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি করা হয়। এব্যাপারে কেশবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে বলে জানান আমেনা বেগম।
বিল্লাল হোসেন বুল্লা ওই গ্রামের আব্দুল বারিক গাজীর ছেলে। তিনি ঢাকার একটি পোশক তৈরি কারখানায় সুপার ভাইজার পদে চাকরি করেন। পরিবারের সদস্যদের সাথে ঈদ করার জন্য তিনি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন।

