নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ইউসুফ আলীর অনিয়ম দুর্নীতির তদন্ত শুরু করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক (প্রশাসন) ডাক্তার আক্তারুজ্জামানসহ তদন্ত টিম সরেজমিন তদন্তে যান। এদিন তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযোগকারীদের লিখিত জবানবনন্দি গ্রহণ করেছেন।
তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি স্বেচ্ছাচারিতা ও বিভিন্ন ভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ১৩২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ এপ্রিল যশোরের সিভিল সার্জন বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক তদন্ত করেন।
এবিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ইউসুফ আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০ সালে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করি। এরই মধ্যে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনেক উন্নয়ন করেছি। কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী ছোট-খাটো কোন অপরাধ করলে একটু বকা-ঝকা করেছি এর বেশী কিছু নয়। তাদের ন্যায্য পাওনা দিতে হয়ত একটু দেরি হয়েছে। তাই বলে তারা সবাই মিলে আমার বিরুদ্ধে এমন একটা অপমানজনক কাজ করবে তা আমি বুঝতে পারিনি।
অপরদিকে অর্থ আত্মসাৎ এর বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে সঠিক হিসাব না দেখাতে পারলেও অর্থ আত্মসাতের বিষয়টা সঠিক নয় বলে জানান তিনি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় সহকারি পরিচালক (প্রশাসন) ও তদন্ত টিমের সভাপতি ডাক্তার আক্তারুজ্জামান বলেন, অভিযোগকারিদের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত শেষ হলে আমরা সবকিছু বলতে পারব। তদন্ত কমিটির অপর সদস্যরা হলেন ডাক্তার মঞ্জুরুল মোর্শেদ, উপ-পরিচালক (কমিউনিটি ক্লিনিক) ডাক্তার ফেরদাউস আক্তার, সহকারি পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রক) ডাক্তার অপর্ণা বিশ্বাস ।

