কালীগঞ্জ(ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি :
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার খয়েরতলা গ্রামের মোঃ তোফাজ্জল হোসেন টুকুর ছেলে মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন (২৭)চাকরি করেন ইউনিভার্সাল পোল্ট্রি হ্যাচারী লিঃ এর বা”চা উৎপাদন শাখায়। ২৮ নভেম্বর একই প্রতিষ্ঠানের স্টফ আব্দুল হান্নানের(৪৫) সাথে সামান্য কথা কাটাকাটির জেরে হান্নান বাড়ি থেকে রামদা নিয়ে এসে হত্যার উদ্দেশ্যে আনুমানিক দুপুর ২ টার দিকে ফিরোজের মাথায় সজোরে আঘাত করে।রক্তাক্ত জখম অব¯’ায় ফার্মের কর্মীরা ফিরোজকে উদ্ধার করে প্রথমে কালিগঞ্জ হাসপাতাল নিয়ে যায়।সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে তৎক্ষণাৎ যশোর সদর হাসপাতালে রেফার করেন কর্তব্যরত ডাক্তার । আঘাতকারী আব্দুল হান্নান খয়েরলতা গ্রামের আইয়ুব আলী বিশ্বাসের ছেলে। ঘটনার পর ফিরোজের বাবা মোঃ তোফাজ্জল হোসেন বাদি হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। ঘটনার ১২ দিন পার হলোও আসামি আব্দুল হান্নানকে থানা পুলিশ এখনো গ্রেপ্তার করতে আব্দুল হান্নান পারেনি।এদিকে আহত ফিরোজ যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ২ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পরেশয্যার হাসপাতালে দুইদিন চিকিৎসা নেয়ার পর কর্তৃপক্ষ তাকে ফরিদপুর হাসপাতালে রেফার করে। সেখান থেকে চিকিৎসা নিয়ে ৭ ডিসেম্বর তিনি নিজ বাড়িতে ফিরলেও এখনো পুরোপুরি সু¯’ নন।এযাবত চিকিৎসা বাবদ প্রায় আশি হাজার টাকা খরচ হয়েছে তার।এখনো প্রতিদিন ৫০০টাকার ওষুধ খেতে হ”েছ তাকে।ফিরোজের মাথায় আঘাত ¯’লে দেওয়া ২২ টি শেলাই না শোকালেও আসামি আব্দুল হান্নানের পক্ষে খয়েরতলা গ্রামের মনির“ল ইসলাম, পিতা হানিফ বিশ্বাস, রবিউল ইসলাম, পিতা জেকের আলী ও মন্টু মিয়া, পিতা গোলাম নবী মামলা তুলে নেওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত হুমকি ধামকি প্রদান করছে।ফলের চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ভুক্তভোগী পরিবারটি। মামলার বাদি তোফাজ্জল হোসেন জানান, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী হত্যার উদ্দেশ্যে আব্দুল হান্নান আমার ছেলের উপর আক্রমণ করে। এখন সে নানাভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দি”েছ। আমার ছেলে সিঙ্গাপুর যাওয়ার জন্য টাকা জমা দিলেও যেতে পারছে না এই ঘটনার কারণে। আমি আসামীকে দ্র“ত গ্রেফতারের জোর দাবি জানা”িছ।
এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কালীগঞ্জ থানার এস আই জাকারিয়া মাসুদ জানান,এই মামলার আসামি এলাকায় নাই। তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকাই ট্রাকিং করে তার অব¯’ান নির্ণয় করা সম্ভব হ”েছ না। তবে অতিসত্বর আমরা আসামীকে ধরতে সক্ষম হবে বলে আশা করছি। এব্যাপারে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মাহফুজুর রহমান মিয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

