শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

সাতক্ষীরার  গাবুরা ইউনিয়নের  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশা

আরো খবর

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরার একমাত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির বেহাল দশা। বিভিন্ন সমস্যা থাকায় স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন না ইউনিয়নবাসী।হাসপাতালটিতে নেই কোন চিকিৎসক ও চিকিৎসার সরঞ্জামাদি। ভেতর ও বাইরের পরিবেশ একবারে নোংরা-অপরিচ্ছন্ন। হাসপাতাল চত্ত্বরে ঘুরতে দেখা যায় গরু-ছাগল। দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরার মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসাই এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। প্রতিটি স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে একজন করে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, উপ-সহকারী কমিউনিটি স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, ফার্মাসিস্ট, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা, পিয়ন ও আয়া থাকার কথা। কিন্তু ইউনিয়নের একটি মাত্র স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক নেই।

প্রত্যন্ত এলাকার বিভন্ন রোগীরা চিকিৎসা নিতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গেলেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে তাদের। এই অবস্থায় উপজেলা সদরের প্রাইভেট হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসতে বাধ্য হচ্ছে বিচ্ছিন্ন জনপদের মানুষগুলো।

গাবুরা ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব খরাপ হওয়ায় এখানকার কোন মুমূর্ষ রোগীকে শহরে নিতে হিমশিম খায়। অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত গাবুরা ইউনিয়নের জনগণ। মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে প্রায় একযুগ আগে এখানে স্থাপন করা হয় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কেন্দ্র্রটি।

প্রতিটি স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে একজন করে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, উপ-সহকারী কমিউনিটি স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, ফার্মাসিস্ট, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা, পিয়ন ও আয়া থাকার কথা। কিন্তু ইউনিয়নের একটি মাত্র স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক নেই।

হাসপাতালটিতে নেই কোন চিকিৎসক ও চিকিৎসার সরঞ্জামাদি। ভেতর ও বাইরের পরিবেশ একবারে নোংরা-অপরিচ্ছন্ন। হাসপাতাল চত্ত্বরে ঘুরতে দেখা যায় গরু-ছাগল। দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরার মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসাই এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি

প্রত্যন্ত এলাকার বিভন্ন রোগীরা চিকিৎসা নিতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গেলেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে তাদের। এই অবস্থায় উপজেলা সদরের প্রাইভেট হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসতে বাধ্য হচ্ছে বিচ্ছিন্ন জনপদের মানুষগুলো।

চারিদিকে নদীবেষ্টিত গাবুরা ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব খরাপ হওয়ায় এখানকার কোন মুমূর্ষ রোগীকে শহরে নিতে হিমশিম খায়। অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত গাবুরা ইউনিয়নের জনগণ। মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে প্রায় একযুগ আগে এখানে স্থাপন করা হয় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কেন্দ্রটি।

গাবুরা ইউনিয়নের সোরা গ্রামের নাগরিক রবিউল ইসলাম, শাহিনা বেগম, সাবরিনা আক্তার বলেন, শুরু থেকেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি কাঙ্খিত সেবা দিতে ব্যর্থ। এখন তো স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির জানালা দরজাও নষ্ট হয়ে গেছে। ভবন সংস্কারও জরুরি হয়ে পড়েছে।

গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম মাসুদুল আলম জানান, এখানে একজন করে উপ-সহকারি মেডিক্যাল অফিসার, প্যারামেডিক্যাল এবং ভিজিটর দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকলেও এদের কেউই এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসেননি। দোতলা বিশিষ্ট ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে নানা সুযোগ-সুবিধাদি না থাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা এখানে না আসায় ভবনটিও দিনদিন হতশ্রী হয়ে পড়ছে।

তিনি আরও বলেন, গাবুরা ইউনিয়নের প্রায় ৪৭ হাজার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছির। প্রথম দিে কেন্দ্রটিতে প্রতিদিন অনেক মানুষ চিকিৎসা নিতে ভিড় করতো। কিন্তু প্রতিষ্ঠার কয়েক বছর যেতে না যেতেই এট ককার্যকর হয়ে পড়েছে। এজন্য সাধারণ মানুষকে জরুরি চিকিৎসা সেবা পেতে হলে দীর্ঘ কপোতাক্ষ ও খোলপাটুয়া নদীপথ বা কাঁদাপথ পেরিয়ে উপজেলা সদরে যেতে হয়। এই পরিস্থিতিতে মাঝপথেও অনেক বিপন্ন রোগী তাৎক্ষণিক চিকিৎসার অভাবে মারা পড়েন। বিষয়টি জেলা ও উপজেলার স্বাস্থ্যবিভাগকে অবহিত করা হলেও তারা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। দ্রুততম সময়ে গাবুরা ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির কার্যক্রম পুনরায় চালু দেখতে চাই। যে উদ্দেশ্য নিয়ে এখানে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছে তার যথাযথ বাস্তবায়ন চাই।গাবুরার একমাত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশা শ্যামনগর উপজেলার দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরার একমাত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির বেহাল দশা। নানা সমস্যায় স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন না ইউনিয়নবাসী।

 

আরো পড়ুন

সর্বশেষ