আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনির আনুলিয়ায় এক গৃহবধু ধর্ষনের চেষ্টার অভিযোগে আলোচিত ইউপি সদস্য মোক্তার হোসেন সানাকে আটক করা হয়েছে। গতকাল ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামে। এ ঘটনায় মাদক ও সন্ত্রাসের আতংক মানবিক থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মমিনুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় এসআই মহিতুর রহমান মহিত সঙ্গিয় ফোর্স নিয়ে গৃহবধু ধর্ষনের অভিযোগে কাঠু মোক্তারকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ ব্যাপারে থানায় মামলা সুত্রে জানাগেছে আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য নারী ও শিশু নির্যাতন মামলাসহ কয়েকটি মামলার আসামী আনুলিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল গফুর সানার ছেলে মোক্তার হোসেন সানা ওরফে কাঠু মোক্তার মির্জাপুর গ্রামের
শাহাবুদ্দীন সানার স্ত্রী সুমাইয়া খাতুনকে প্রায় সময় বিভিন্নভাবে পথে ঘাটে একা পেয়ে উক্ত্যক্ত করাসহ তার সাথে
দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করার প্রস্তাব দিতে থাকে।
বলে তোমার স্বামী কাজের তাগিদে বাহিরে থাকে আমার প্রস্তাবে রাজি হলে সুন্দরভাবে জীবন যাপন করতে পারবা। তার কথায় রাজি না হলে গৃহবধু ও তার সন্তানকে খুন জখম করবে বলে হুমকী ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এতে গৃহবধু আতংকিত হয়ে পড়ে। কিন্তু তার কতায় গৃহবধু রাজি না হয়ে এক পর্যায় বিষয়টি তার স্বামীকে জানায় তার স্বামী যশোরে কাজের তাগিদে অবস্থান করায় এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদেরকে বিষয়টি জানানোর জন্য পরামর্শ দেয়। স্বামীর পরামর্শ অনুযায়ী এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গকে জানাইলে নারী লোভি ইউপি সদস্য জানতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায় গৃহবধু সুমাইয়া খাতুনকে লালসার স্বীকার বানাইতে ০১/৬/২০২৩ তারিখে গৃহবধুর স্বামী বাড়ীতে না থাকার সুযোগে রাত দেড়টার দিকে উক্ত ইউপি সদস্য মোক্তার হোসেন সানা কৌশলে বসত ঘরের দরজার হাক খুলিয়া ভিতরে প্রবেশ করে ঘুমন্ত গৃহবধুর মশারির ভিতরে ঢুকে পড়ে তাকে জাপটে ধরে
ধর্ষনের চেষ্টা করে। এ সময় গৃহবধু তার সম্মান রক্ষায় চেচামিচি দেওয়ার চেষ্টা করলে সে হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরে বলে কোন রকম চিৎকার করলে তোর ও সন্তানকে খুন করে ফেলব বলে ভয় দেখায। কোন রকম মুখ থেকে হাত সরিয়ে চিৎকার করতে থাকলে পাশে ঘুমিয়ে থাকা শিশু পুত্র সামউল (৯) জেগে ওঠে। সে ও মাকে বাঁচাতে কান্নকাটি করতে থাকে আশপাশের লোক ছুটে আসলে উক্ত ইউপি সদস্য ঘটনাস্থল থেকে পারিয়ে যেতে সক্ষম হয়। বিষয়টি
সকালে জানাজানি হলে এলাকায় আলোচনা সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ ব্যাপারে ভিক্টিম গৃহবধু সুমাইয়া খাতুন বাদী হয়ে ইউপি সদস্যকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করে। এ বিষয় কোজ খবর নিতে গেলে এ প্রতিবেদকে একাধিক ব্যক্তি আলোচিত ইউপি সদস্যের বিভিন্ন কর্মকান্ড তুলে ধরে বলেন তার কারনে মেয়েরা পথ চলতে পারে না। ইতোপূর্বে আনুলিয়ায় এক গৃহবধুর ধর্ষনের চেষ্টা মামলাসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডে ঘটনায় আশাশুনি থানা পুলিশ ৪টি মামলায় আদারতে চার্চশীট দাখিল করেছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে জুয়া ও মাদক বেচাকেনা করানোর অভিযোগ ও রয়েছে। এ দিকে ইউপি সদস্য পরিবার ও তার কিছু আত্নীয় স্বজন সহ সমার্থকরা বলেন তাকে ডেকে নিয়ে সাবেক মেম্বরের কথামত ধর্ষনের চেষ্টা ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছে। তবে সাবেক ইউপি সদস্য সহ একাকার অধিকাংশ মানুষ বলছে ইচ্ছা না থাকলে কাহারোর ডেকে এনে ফাসানো যায় বলে আমাদের জানানেই।
তাহলে এর আগে এরকম ঘটনা পুলিশের হাতে আটক হয়ে জেলের ঘানি টেনেছে সে বিষয় অভিযুক্ত পরিবারের সহ আতœীয় স্বজনরা কি বলবে। আটককৃত ইউপি সদস্যকে সাতক্ষীরা কোট হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

