সাতক্ষীরা/কলারোয়া প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় কিশোর গ্যাংয়ের হামলার শিকার হয়ে মনিরুল ইসলাম (১৭) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জুন) সকালে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার ।
এর আগে গত ৩১ মে কলারোয়া স্বাস্থ্যকমপ্লেসের পাশে হামলার ঘটনাটি ঘটে।নিহত ওই কিশোর কলারোয়া উপজেলার গদখালি গ্রামের মৃত জাকির হোসেনের ছেলে। সে ট্রাকের হেলপার হিসেবে কাজ করত বলে জানা গেছে । ইতিপূর্বে মারামারি ঘটনার পরের দিন মামলার প্রধান আসামী রানাকে আটক করে পুলিশ।নিহতের স্বজনরা জানায়, কিছুদিন আগে মনিরুলের কাছ থেকে ঝিকড়া গ্রামের দক্ষিণপাড়ার এলাকার মিন্টুর ছেলে রানা (২০) একটি বাটন মোবাইল কেড়ে নেয়। পরে মনিরুল মোবাইল ফোন ফেরত চাইলে দুই দিন যাবত তালাবাহানা করতে থাকে রানা। ঘটনার দিন অর্থাৎ ৩১ মে রাত ১০টার দিকে মোবাইল দেওয়ার কথা বলে কৌশালে মনিরুলকে বাড়ি থেকে ঘটনাস্থলে ডেকে নিয়ে যায় রানা । ওই সময় হাসপাতালের পাশের সড়কে পৌঁছালে সেখানে রানার সহ তার ৬/৭জন সঙ্গীরা সেভেন আপের বোতল দিয়ে মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। এতে মনিরুল মাথায় গুরত্বর জখম প্রাপ্ত হয় ।
পবরর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কলারোয়া স্বাস্থ্যকমপ্রেক্স পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্তায় তার মৃত্যু হয়।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্তকর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আবুল কালাম বলেন, এর আগে মারামারি ঘটনায় নিহতের মা ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে রানা সহ কয়েকজনক আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। গত ৩ জুন মামলার প্রধান আসামী রানাকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল ।মনিরুলের মৃত্যুর কারনে মামলাটি হত্যা মামলায় পরিণত হবে এখন । এছাড়া মামলার অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

