বেনাপোল প্রতিনিধি:যশোরের শার্শা-বেনাপোল পশু মোটাতাজাকরনে ব্যস্ত খামারীরা। গরু পালনে লাভবানে বেড়েছে পশুর খামার,চলছে ঈদের বেচাকেনা। আসছে ব্যাপারী খামার থেকে কমদামে মিলছে পশু। এম এ রহিম,বেনাপোল:-যশোর
আসন্ন কুরবানীর ঈদকে সামনে রেখে যশোরের শার্শা ও বেনাপোল পশু পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারীরা। উপজেলায় চাহিদা অতিরিক্ত পশু মজুত করা হয়েছে। গরু পালনে লাভবান হওয়ায় এলাকায় বেড়েছে পশুর খামার। শুরু হয়েছে ঈদের বেচাকেনা। বিভিন্ন স্থান থেকে আসছেন ব্যাপারীরা। সীমান্তের খামারগুলোতে কমদামেই মিলছে সুস্থ্য সবল পশু।
ভারত থেকে পশু আমদানি বন্ধ থাকায় যশোরের শার্শা বেনাপোলে সাড়ে১৩শ ছোট বড় পশু মোটাতাজাকরন ও দুগ্ধ পশু খামার গড়ে ওঠেছে। বেশী লাভের আশায় কুরবানীর পশুর বাজার ধরতে পশু পরিচর্যায় ব্যাস্ত সময় পার করছেন অনেক খামারী। গ্রামে গড়ে,ওঠা পশুর খামার থেকে গুরু কিনতে আসছেন ব্যাপারীরা। গো খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে অনেক খামারীরা খাসচাষ করে পশু পালন করায় খমছে খরচ। ফলে কুরবানীর ঈদের হাটে বেশীদামে পশু বিক্রি করে লাভের আশা খামারীদের। পশু পেলে ও খামারে কাজ করে অনেক পরিবারে ফিরছে স্বচ্ছলতা। কমছে বেকারত্ব মিটছে আমিশের চাহিদা। উপকৃত হচ্ছেন ভুক্তভোগীরা
বেনাপোলের বড়আচড়া এগ্রোা ডেনরী ফার্মের ম্যানেজার কেচমত আলী ও স্থানীয়রা জানান.পশু পেলে হয়েছেন লাভবান।১৫থেকে ২০মন ওজনের গরু বিক্রি করছেন ৪থেকে৬লাখ টাকায়। তাই বিভিন্ন স্থানথেকে ব্যাপারীরা এসে কমদামে গরু কিনে হচ্ছেন লাভবান। ঈদ বাজারে বেশী লাভের আশা তাদের।
সীমান্ত এলাকার অনেক খামারে কমদামে মিলছে ভালমানের পশু। তাইতো অনেক আসছেন দেখতে অনেক কিনে নিয়ে বিক্রি করছেন ঢাকা খুলনা ও চিটাগাংয়ে লাভবান হচ্ছেন বলে জানান ক্রেতা আজগার আলী ও ব্যাপারী ফয়েজ উদ্দিন।
গরুর দানাদার জাতূয় খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় কাচাঘাস খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ফলে কুরবানীর ঈদে খামারীরা হবেন লাভবান। উপজেলায় ৫ হাজার পশু প্রস্তুতির কথা জানা উপজেলা প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা বিনয় কৃষ্ন মন্ডল।
কুরবানীর পশুর চাহিদার বিপরীতে স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে জেলায় ৩১হাজার পশু মজুত রয়েছে বলে জানায় যশোর জেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ রাসেদুল হক। জেলায় কুরবানীর পশুর চাহিদা মিটিয়ে অন্য জেলায় পশু পাঠানো যাবে বলে জানান জেলা প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা যশোর।
