অভয়নগর প্রতিনিধি:অভয়নগরে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালে শুভরাড়া ও শ্রীধরপুর ইউনিয়ন।যশোরের অভয়নগরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট,বালক(অনুর্ধ্ব-১৭) এর সেমিফাইনালে উঠেছে শুভরাড়া ও শ্রীধরপুর ইউনিয়ন।গতকাল ২টি কোয়াটার ফাইনালে তারা জয়লাভ করে।
সোমবার বিকালে ১ম কোয়াটার ফাইনালে শুভরাড়া ইউনিয়ন টাইব্রেকারে ৩-২ গোলে প্রেমবাগ ইউনিয়নকে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে। ২য় কোয়াটার ফাইনালে নওয়াপাড়া পৌরসভা টিম অংশগ্রহণ না করায় শ্রীধরপুর ইউনিয়নকে ফিফার নিয়ম অনুযায়ী ২-০ গোলে জয়ী ঘোষণা করে কমিটি। খেলা ২টি নওয়াপাড়া শংকরপাশা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। ১ম কোয়াটার ফাইনালে প্রেমবাগ ইউনিয়নের ৫নং জার্সিধারী খেলোয়াড় খালিদকে সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত করা হয়। অপরদিকে ২য় কোয়াটার ফাইনালে নওয়াপাড়া পৌরসভার মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল শ্রীধরপুর ইউনিয়নের। উভয় টিমের খেলোয়াড় যাচাই-বাছাই চলাকালে নওয়াপাড়া পৌরসভা টিমের ৭জন খেলোয়াড়কে বয়সজনিত কারণে বাদ দেওয়া হয়। ৭জন খেলোয়াড় বাদ হওয়ায় পৌরসভা টিম মাঠে নামতে পারেনি।
এ বিষয়ে নওয়াপাড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত কুমার দাস শান্ত সাংবাদিকদেরকে জানান, নওয়াপাড়া পৌরসভা টিম গত ৪ বারের চ্যাম্পিয়ন। যে কারণে উদ্দেশ্যমূলকভাবে পৌরসভা টিমকে খেলা থেকে দুরে রাখার জন্য সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। আর এই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নীতিমালা ও প্রস্তুতি সভার রেজুলেশনে উল্লেখিত সিদ্ধান্তকে অমান্য করা হয়েছে। তারা খেলোয়াড়দের দাঁত দেখে বয়স নির্ধারণ করেছে। যা টুনামেন্টের নীতিমালা ও রেজুলেশনে উল্লেখ ছিল না। মনগড়াভাবে পৌরসভা টিমের ৭ জন খেলোয়াড়কে বাদ দেওয়া হয়েছে। যা অত্যান্ত দুঃখজনক ঘটনা। অথচ আমরা সকল নিয়ম মেনেই টিম তৈরি করে নামের তালিকা জমা দিয়েছিলাম। তিনি দাবি করেন, ক্রীড়া ও টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটিতে সরকারি কর্মকর্তা বাদে দু-একজন কর্মকর্তা এই ষড়যন্ত্র করেছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও নির্বাহী কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দীন মুঠোফোনে জানান,একজন এমবিবিএস ডাক্তারকে আহবায়ক করে যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছে। খেলার মাঠেই যাচাই-বাছাই কমিটি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট,বালক (অনুর্ধ্ব-১৭)এর নীতিমালা মেনেই খেলোয়াড় যাচাই-বাছাই করেছে।

