এম এ রহিম:আর মাত্র ৫ দিনপর কুরবানীর ঈদ। আর এই ঈদকে সামনে রেখে জমজমাট হয়ে উঠেছে যশোরের শার্শা সাতমাইল পশুরহাট। ছোট বড় গরুতে ভরে গেছে হাট। দিন যতই যাচ্ছে ততই বাড়ছে গরু মহিষ ছাগল ভেড়া আমদানি। বাড়ছে ক্রেতা বিক্রেতাদের ভীড়। এবার লাভের মুখ দেখছেন চাষী ও বিক্রেতারা। খুশিতি বাড়ী পিরছেন তারা। তবে নিন্ম ও মধ্য আয়েের মানুষেরা কিনছেন ছোট সাইজের গরু ও ছাগল। দ্রব্যমুল্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধ্যের মধ্যেই পশু কিনছেন বলে জানান মশিয়ার রহমানও জাহাঙ্গীর আলম। ঝিকরগাছা ও বাগআচড়া সাতমাইল নাভারন পশুরহাটে নজরদারী বাড়িয়েছে প্রানী সম্পদ অধিদপ্তর। জালটাকা রোধে সাদা পোষাকে নজরদারী করছে প্রশাসনের সদস্যরা। নিরাপত্তায় সজাগ রয়েছে প্রশাসন। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় কাজ করছেন প্রানীসম্পদ বিভাগের সদস্যরা।-
প্রতি বছর কুরবানীর ঈদের আগেই জমজমাট হয়ে ওঠে এলাকার বৃহৎ শার্শার সাতমাইল পশুরহাট। এবার গত ৫টি হাটে ক্রেতা সংকটের কারনে গুরু বেচাকেনা কম হলেও গত শনি ও মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার ৩টি হাটে বেচাকেনা বেড়েছে দ্বিগুন। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসচে গরু ব্যাপারীরা। রুগ্ন ও স্বাস্থ্যহীন গরু বিক্রি রোধে কাজ করছেন প্রানীসম্পদ বিভাগের সদস্যরা।
পশুর হাটে নিরাপত্তাসহ স্বাস্থ্য সম্মত পশু বিক্রিতে কঠোর নজরদারী করা হচ্ছে বলে জানান উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা বিনয় কৃষ্ন মন্ডল।
যশোর জেলায় ২১ টি পশুর হাটে বেচাকেনা হচ্ছে কুরনবানীর পশু। হাটগুলোতে বসানো হয়েছে ফ্রি মেডেকেল ক্যাম্প। রুগ্ন পশু বিক্রি রোধসহ পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রানী সম্পদ বিভাগ কাজ করছে বলে জানান জেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা রাসেদুল হক।
সাতমাইল পশুর হাটের ইজারাদার ইলিয়াজ কবির বকুল জানান গত৭ হাটে ২০হাজার পশু বিক্রি হয়েছে। সামনের ২টি হাটে ১৫হাজার গরু ছাগল বিক্রির আশ করেন তিনি। ৩০থেকে ৪০ হাজারের মধ্যে এ হাটে পাওয়া যায় কুরবানীর পশু। অপরদিকে ১থেকে ২লাখ টাকার মধ্যে ৩থেকে৮ মন ওজনের গরু পাওয়া যাচ্ছে।
২০০০কেজি ওজনের গরু বিক্রি হচ্ছে ৫লাখ টাকায়। এজন্য সাতমাইল হাটে জমজমাট কেনাবেচা। নিরাপদ পশু বিক্রিতে কঠোর অবস্থান প্রশাসন।
