কেশবপুর প্রতিনিধি: কেশবপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের চাল চুরির অভিযোগ করে মামলার আসমি হলেন ভালুকঘর ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার আলী । তার বিরুদ্ধে আদালতে মানহানির মামলা করেছেন সেই ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন জাকারিয়া। মামলার আরজিতে ডাহা মিথ্যা তথ্য দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন সেনকন্দার আলী। তিনি অভিযোগ করেন চাল চুরির অভিযোগ ভিন্নখাতে নেওয়ার জন্য তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে।
সেকেন্দার আলী জানান, মামলার আরজিতে ফারুক হোসেন জাকারিয়া উল্লেখ করেছেন, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা চাল চুরির অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি দোষী প্রমানিত হননি। প্রকৃত সত্য হলো চাল চুরির অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে। শুক্রবার সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে তদন্তের দিন ধার্য্য করে তাকে পত্র দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। যার স্মারক নং- ইউআরসি/কেশব/যশোর/তদন্ত/২০২৩/৩২। তদন্ত চরমানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত হোসন। গতত ৩১ মে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তর থেকে উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের কর্মকর্তা রবিউল ইসলামকে তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়েছে। যার তদন্ত এখনও শেষ হলো না সেবিষয়ে নিরদোষ দাবি করে কিভাবে মামলা করেন এমন প্রশ্ন অনেকের।
এবিষয়ে ভালুকঘর ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আমিন উদ্দিন বলেন,জাকারিয়া ফারুক বহু দোষে দোষী। তার বিরুদ্ধে চাল চুরির অভিযোগের খবর লেখায় সে হাতুড়ি বাহিনী নিয়ে প্রকাশ্য দিবালকে সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল মাহফুজের ওপর হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনায় গোটা গ্রাম স্তব্দ হয়ে যায়। অনেকের প্রশ্ন জনপ্রতিনিধি হাতে কেন হাতুড়ি । তিনি দাবি করেন এক সময় ওই এলাকার আতংক আজিজ বাহিনী প্রধান আজিজ নিহত হওয়ার পর তার সদস্যদের নিয়ে গড়ে তুলেছে হাতুড়ি বাহিনী।আর তাদেরকে নিয়ে গোটা এলাকায় চলছে অন্যায় অত্যাচার। যা সরেজমিন তদন্তে প্রমান মিলবে।
চাল চুরির অভিযোগের বিষয়ে সেকেন্দার আলী জানান,গত রোজার ঈদ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সারাদেশে অসহায় গরীবদের জন্য ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়। উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের ভালুকঘর ৮ নং ওয়ার্ডের প্রায় অর্ধশত অসহায়ের চাল আত্নসাত করেন ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন জাকারিয়া। তারা রোজা থেকে সারা দিন সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে দাড়িয়ে চাল পাননি। সন্ধ্যায় চাল না পেয়ে খালি হাতে তারা বাড়ি ফিরে আসে। এব্যাপারে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পরে জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করেন। শুক্রবার যার তদন্ত হবে। এদিকে তদন্ত ভিন্নখাতে নিতে চলছে দেনদরবার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক নেতা তার কাছে গিয়ে অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃস্টি করেন বলে জানান সেকেন্দার আলী।

