এম এ রহিম, বেনাপোল যশোর:বেনাপোলসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে বেড়েছে ভারতীয় পেয়াজ আমদানি। ফলে স্থানীয় সবজির বাজারে কমেছে পেয়াজের দাম। প্রতি কেজিতে কমেছে ৫/৭টাকা। ৫৪ থেকে ৬০টাকায় বিক্রি হচ্চে প্রতিকেজি ভারতীয় পেয়াজ। তবে দেশী পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০টাকায়। কাচা মরিচের দামও এক লাফে বেড়েছে ৫০টাকা। প্রতিকেজি কাচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০টাকা।
বেনাাপোল স্থল বন্দর দিয়ে গত তিনদিন আগে ভারতীয় পেয়াজ আমদানি কমে যাওয়ায় বাজারে পেয়াজের দাম প্রতি কেজিতে বেড়ে যায়১৫/২০টাকা। বৃহস্পতি শনি ও রবি গত ৩ দিনে আসে মাত্র ৩ট্রাকে ৮৪মে টন পেয়াজ। বুধবার একদিনে আসে৩ট্রাকে৯০ মেটন ৩৩কেজি পেয়াজ। ফলে বৃহস্পতিবার থেকে বাজারে কমতে শুরু করেছে দাম। বেনাপোল নাভারন ও শার্শায় গোগা ও বাগআচড়া সবজির বাজারে গত ৫দিন আগে প্রতিকেজি ভারতীয় পেয়াজ ৪০/৪৫ টাকায় বিক্রি হয়। ২দিন পরে বেড়ে দাড়ায় ৬০-৬৫টাকা। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে প্র্রতিকেজি পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে৫৪/৬০টাকায়। আমদানি ও সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কমার আশা ব্যাবসায়িদের।
পেয়াজ ব্যাবসায়ি–মামুন হোসেন ও আশরাফ গাজি বলেন ডলার সংকট সহ বিভিন্ন কারনে এলসি কম হওয়ায় কমেছে পেয়াজের আমদানি। এই সুযোগে অনেক অসাধু ব্যাবসায়িরা দাম দিচ্ছেন বাড়িয়ে। তারা বিভিন্ন মোকাম থেকে যখন যে দামে পেয়াজ কেনেন ২/৪ টাকা লাভে বাজারে পেয়াজ বিক্রি করছেন তারা।
ক্রেতা আছিয়া বেগম ও রফিকুল ইসলাম বলেন নিয়ন্ত্রণ হীন হয়ে পড়েছে সব পন্যের দাম রসুন ঝাল আদা সহ সব মালামালের দাম গেছে বেড়ে। এরই মধ্যে পেয়াজের দাম কমায় কিছুটা স্বস্তির কথা বলেন তারা।
বেনাপোল স্থলবন্দর পরিচালক আব্দুল জলিল জানান,স্থলবন্দর দিয়ে আবার বাড়তে শুরু করেছে পেয়াজ আমদানি। গত ৫দিনে এসেছে ৩শ৮০মেট৮শ৫৪কেজি ভারতীয় পেয়াজ। পেয়াজ আমদানি চলমান আছে বলে জানান তিনি।

