এস এম হুমায়ুন,বাগেরহাট:”একার শক্তি কোন শক্তি নয়” এমপি নির্বাচিত হয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে রামপাল মংলার উন্নয়ন করব- কথাটি বলেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী পরিবারের একজন সদস্য ও বাগেরহাট পোল্ট্রি ডেইরি ক্যাটেল সমিতির সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তিন তিনবার রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রাপ্ত ধ্রুব পাল। এসময় জেলা শহরের দশানী হতে মোংলা পর্যন্ত প্রশস্ত রাস্তা সম্প্রসারণ, ঘোষিয়াখালী চ্যানেল সচল, দুবলার চরের রাসমেলাকে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি আদায়, শাহ সুফি হাজী আরিফের নামে রামপাল মোংলায় আধুনিক যুগোপযোগী বিজ্ঞানভিত্তিক আরবী বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণেরও ঘোষণা দেন তিনি। তার বাসভবনে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হয়ে বাগেরহাট- ৩ (রামপাল মোংলা) আসনে অংশগ্রহণ করতে চান এলাকার গদাধর পালের পূত্র ধ্রুব পাল। তিনি রামপালের গিলাতলা এলাকার সম্ভ্রান্ত ডাক্তার বাড়ি পরিবারের সন্তান। পেশায় একজন ঔষুধ ব্যবসায়ী। তিনি ১৯৮৩ সন হইতে বাগেরহাটের প্রতিটি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে পোল্ট্রি ডেইরি ক্যাটেল বিফফ্যাটেনিং ফার্ম নির্মাণ করতে কৃষক জনগোষ্ঠীকে সাহায্য করে আসছেন। এশিয়া ও ভারতীয় উপমহাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তাছাড়াও তিনি বাগেরহাট পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষা কমিটির সদস্য।
একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সনে তৎকালীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের হাতে ৫০১ টাকা তুলে দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেছিলেন। যদিও সক্রিয়ভাবে অস্ত্র হাতে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি তবুও বিভিন্নভাবে বিভিন্ন সময়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করতে পেরে নিজেকে গর্ববোধ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, তাদের পরিবারের সদস্য এবং নিকট আত্মীয় সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছে। পূজা পার্বণসহ সকল সামাজিক অনুষ্ঠানে তাদের রয়েছে সক্রিয় অংশগ্রহণ। প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহ বিপদ আপদে এলাকার মানুষের পাশে রয়েছে সব সময়। করোনা কালীন সময়েও খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে তাছাড়া স্কুল গামী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রয়োজনে নিয়মিত সহায়তা করেন তিনি।
রামপাল মোংলায় অসমাপ্ত উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সমাপ্ত করতে চান তিনি। তিনি জেলার সাথে সকল উপজেলার নৌ যোগাযোগ পুনরায় চালু করতে চান। পানীয় জলের সংকট মেটাতে চান তিনি। সুন্দরবনকে আধুনিক পর্যটন কেন্দ্রে রুপান্তরিত করতে চান তিনি। রামপাল মোংলা দুই উপজেলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা আইসিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। এলাকার সকল হাট বাজারকে ডিজিটাল বাজারে রূপান্তরিত করতে চান তিনি। স্কুল কলেজ মাদ্রাসা গুলোর সুযোগ সুবিধা বাড়াতে চান তিনি। হাসপাতাল গুলোকে আরো বেশি শয্যায় উন্নীত করার পাশাপাশি একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করার চিন্তা রয়েছে তার।
সর্বশেষ তিনি বলেন আমার হাত দিয়ে বাগেরহাট জেলায় দুধ-মাংস ও ডিমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে আমিষের ঘাটতি পূরণ হয়েছে। জেলায় প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার লক্ষ লোকের পোল্ট্রি ডেইরি ফার্ম করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
আবার এই এলাকায় গোলা ভরা ধান, গোয়াল ভরা গরু, বাগান ভরা নারকেল সুপারির ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনব। সাদা সোনা (চিংড়ি) চাষে বেশি লাভবান হওয়ার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এবারের নির্বাচনে আমি একজন প্রার্থী হিসেবে এলাকার সকলের কাছে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। আমার একার শক্তি কোন শক্তি নয়। ঐক্যবদ্ধভাবে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে বাকি জীবন এলাকার মানুষের কল্যাণে বিলিয়ে দিতে চান তিনি।

