পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়, নেপালের রাজধানী কাটমান্ডু থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে গাজুরি শহরের পৃথ্বি হাইওয়েতে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের নদীতে পড়ে যাওয়ায় ৮ জন নিহত এবং অন্তত ১৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুইজন বাংলাদেশি রয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ এবং ২ জন নারী। তাদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় উদ্ধার করা হয়েছে।এছাড়া আহতদের মধ্যে ১৩ জনকে কাটমান্ডু হাসপাতালে এবং বাকি ৪ জনকে গাজুরি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আহতদের মধ্যে দুইজন বাংলাদেশি রয়েছেন।
তারা হলেন সুজিত মণ্ডল (৩০) জানা যায় শিল্প শহর নওয়াপাড়া নূরবাগ মোড়ে বিচিত্রা ফার্মেসীর মালিক সুজিত মন্ডল ভ্রমনে নেপাল গিয়েছে এবং ঘুরতে বের হয়েই দূর্ঘটনার কবলে পড়েছে। এবং জহিরুল ইসলাম (৩৭)। এই দু’জনের মধ্যে সুজিত মণ্ডল গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন নেপালের একটি হাসপাতালে। ২৬আগষ্ট শনিবার সন্ধ্যায় পরলোকে গমন করেন।বুধবার সকালে দুর্ঘটনার পর থেকে বিকাল পর্যন্ত চালানো হয় উদ্ধার তৎপরতা। নেপালের পুলিশ, সেনাবাহিনী, আর্মড পুলিশ ফোর্স এবং সাধারণ নাগরিকরাও এই তৎপরতায় অংশ নিয়েছেন।
পরিবার থেকে আরো জানা যায়, ২৩আগষ্ট বুধবার সকালের দিকে নেপালের পর্যটন শহর পোখরা থেকে যাত্রী নিয়ে কাটমান্ডুর দিকে রওনা হয়েছিল বাসটি। পথিমধ্যে গাজুরির কাছে এসে পৌছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে কয়েক মিটার নিচে খাদে পড়ে যায় বাসটি।বাসের ড্রাইভার দীপক থাপাও (৩০) আহত হয়েছেন। তবে তার আঘাত গুরুতর নয় বলে জানা গেছে।‘হিমালয়কন্যা’ বলে পরিচিত নেপালে প্রায় নিয়মিতই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। পাহাড়ি উঁচুনিচু সড়ক, চালকদের অদক্ষতা ও ত্রুটিযুক্ত যানবাহন এসব দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। এদিকে নওয়াপাড়া বাজারের নুরবাগ বাসস্ট্যান্ডে সুজিতের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চিত্রা ফার্মেসিতে যেয়ে দেখা যায় দোকান ও পরিবারের লোকজন ভেঙ্গে পড়েছে।

